ইরানের কেন্দ্রীয় শহর খোমেইনে একটি স্কুলকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহর। প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাটি ড. হাফেজ খোমেইনি স্কুলে আঘাত হানে এবং পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি আবাসিক বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনা এমন সময়ে ঘটল যখন দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে একটি মেয়েদের স্কুলে আরেকটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। ওই হামলায় অন্তত ১৭০ জন প্রাণ হারিয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যাদের বড় অংশই ছিল কিশোরী শিক্ষার্থী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার এই ধারাবাহিকতা আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বেসামরিক স্থাপনা, বিশেষত স্কুলের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। এই পরিপ্রেক্ষিতে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। তবে ঘটনাগুলোর স্বাধীন যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাত এখন ইরানের ভূখণ্ডেও সরাসরি আঘাত হানছে। স্কুলের মতো বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার এই অভিযোগগুলো যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে তা যুদ্ধাপরাধের গুরুতর প্রশ্ন সামনে আনবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মার্চ ২০২৬
ইরানের কেন্দ্রীয় শহর খোমেইনে একটি স্কুলকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা মেহর। প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলাটি ড. হাফেজ খোমেইনি স্কুলে আঘাত হানে এবং পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি আবাসিক বাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনা এমন সময়ে ঘটল যখন দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে একটি মেয়েদের স্কুলে আরেকটি মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। ওই হামলায় অন্তত ১৭০ জন প্রাণ হারিয়েছে বলে জানানো হয়েছে, যাদের বড় অংশই ছিল কিশোরী শিক্ষার্থী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার এই ধারাবাহিকতা আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বেসামরিক স্থাপনা, বিশেষত স্কুলের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। এই পরিপ্রেক্ষিতে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। তবে ঘটনাগুলোর স্বাধীন যাচাই এখনো সম্ভব হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান সংঘাত এখন ইরানের ভূখণ্ডেও সরাসরি আঘাত হানছে। স্কুলের মতো বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার এই অভিযোগগুলো যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তাহলে তা যুদ্ধাপরাধের গুরুতর প্রশ্ন সামনে আনবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন