আজকের দ্রুতগতির জীবনে মানসিক চাপ একটি সাধারণ সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাজের চাপ, পরিবারিক দায়িত্ব এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষের মানসিক ভার বাড়াচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা ও খবরগুলো থেকে দেখা যাচ্ছে, কিছু সহজ অভ্যাসেই চাপ কমানো সম্ভব।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, ফ্লোর টাইম বা মেঝেতে শিথিলভাবে বসা বা লুটিয়ে থাকা মানসিক চাপ হ্রাসে কার্যকর। এটি শরীরের প্যারাসিমপ্যাথেটিক সিস্টেম সক্রিয় করে এবং উদ্বেগ কমায়। পাশাপাশি সকালের সেন্সরি রিসেট অভ্যাস মানসিক শান্তি ও সারাদিনের উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।
কর্মক্ষেত্রে ছোট পরিবর্তনও সহায়ক। প্রতিদিন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের তালিকা তৈরি করা, নোটিফিকেশন সীমিত রাখা এবং সংক্ষিপ্ত বিরতিতে হালকা হাঁটা বা ব্যায়াম করা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ডীপ ব্রেইথিং ও হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটেই চাপ হ্রাস করা সম্ভব।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন যেমন গাছের কাছে সময় কাটানো বা প্রকৃতির ছবি দেখা মনের শান্তি বৃদ্ধি করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, দৈনন্দিন জীবনে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, হালকা হাঁটা, সোশ্যাল মিডিয়া সীমিত করা এবং মাইন্ডফুলনেস/মেডিটেশন নিয়মিতভাবে করলে মানসিক চাপ কমানো যায়।
সামান্য এই অভ্যাসগুলোই মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে ও চাপ কমাতে কার্যকর। তাই এখনই প্রতিদিনের রুটিনে এগুলো অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মার্চ ২০২৬
আজকের দ্রুতগতির জীবনে মানসিক চাপ একটি সাধারণ সমস্যা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাজের চাপ, পরিবারিক দায়িত্ব এবং সোশ্যাল মিডিয়ার অতিরিক্ত ব্যবহার মানুষের মানসিক ভার বাড়াচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা ও খবরগুলো থেকে দেখা যাচ্ছে, কিছু সহজ অভ্যাসেই চাপ কমানো সম্ভব।
গবেষকরা জানাচ্ছেন, ফ্লোর টাইম বা মেঝেতে শিথিলভাবে বসা বা লুটিয়ে থাকা মানসিক চাপ হ্রাসে কার্যকর। এটি শরীরের প্যারাসিমপ্যাথেটিক সিস্টেম সক্রিয় করে এবং উদ্বেগ কমায়। পাশাপাশি সকালের সেন্সরি রিসেট অভ্যাস মানসিক শান্তি ও সারাদিনের উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।
কর্মক্ষেত্রে ছোট পরিবর্তনও সহায়ক। প্রতিদিন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কাজের তালিকা তৈরি করা, নোটিফিকেশন সীমিত রাখা এবং সংক্ষিপ্ত বিরতিতে হালকা হাঁটা বা ব্যায়াম করা মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া ডীপ ব্রেইথিং ও হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমে মাত্র কয়েক মিনিটেই চাপ হ্রাস করা সম্ভব।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, প্রকৃতির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন যেমন গাছের কাছে সময় কাটানো বা প্রকৃতির ছবি দেখা মনের শান্তি বৃদ্ধি করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, দৈনন্দিন জীবনে শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, হালকা হাঁটা, সোশ্যাল মিডিয়া সীমিত করা এবং মাইন্ডফুলনেস/মেডিটেশন নিয়মিতভাবে করলে মানসিক চাপ কমানো যায়।
সামান্য এই অভ্যাসগুলোই মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে ও চাপ কমাতে কার্যকর। তাই এখনই প্রতিদিনের রুটিনে এগুলো অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন