মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীন উদ্বিগ্ন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার নিন্দা জানিয়ে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, সার্বভৌম দেশকে লক্ষ্য করে সরকারের পরিবর্তন চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
তবে বাস্তবতা হলো, চীনের সামরিক ক্ষমতা এতটা নয় যে তারা মিত্রদের সাহায্য করতে পারে। গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় এবং বর্তমানে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে চীন মূলত দর্শকের ভূমিকায় ছিল। রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের ফিলিপ শেটলার জোন্সের মতে, চীন অর্থনৈতিক শক্তিতে সমৃদ্ধ হলেও বিশ্বের যে কোনো জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি প্রভাবিত করার সামরিক ক্ষমতা নেই।
এই পরিস্থিতিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজেকে স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক নেতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৌশলের বিপরীত। লন্ডনের এসওএএস চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক স্টিভ সাং উল্লেখ করেছেন, সংঘাতের কারণে জ্বালানি ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন পড়লে এর প্রভাব গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোতে বেশি পড়তে পারে এবং পশ্চিমা জোটের মধ্যেও ফাটল দেখা দিচ্ছে।
চীন অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় ও আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতির সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যেই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ওমান ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ দূত পাঠানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চীন উদ্বিগ্ন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরান হামলার নিন্দা জানিয়ে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, সার্বভৌম দেশকে লক্ষ্য করে সরকারের পরিবর্তন চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
তবে বাস্তবতা হলো, চীনের সামরিক ক্ষমতা এতটা নয় যে তারা মিত্রদের সাহায্য করতে পারে। গত জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় এবং বর্তমানে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপে চীন মূলত দর্শকের ভূমিকায় ছিল। রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের ফিলিপ শেটলার জোন্সের মতে, চীন অর্থনৈতিক শক্তিতে সমৃদ্ধ হলেও বিশ্বের যে কোনো জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি প্রভাবিত করার সামরিক ক্ষমতা নেই।
এই পরিস্থিতিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নিজেকে স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য বৈশ্বিক নেতা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কৌশলের বিপরীত। লন্ডনের এসওএএস চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক স্টিভ সাং উল্লেখ করেছেন, সংঘাতের কারণে জ্বালানি ও বিমান চলাচলে বিঘ্ন পড়লে এর প্রভাব গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোতে বেশি পড়তে পারে এবং পশ্চিমা জোটের মধ্যেও ফাটল দেখা দিচ্ছে।
চীন অন্য দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় ও আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতির সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যেই চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ওমান ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে বিশেষ দূত পাঠানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন