সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ঢাকা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিটি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে আশপাশের এলাকা প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অংশ নেওয়া হাজারো নেতা-কর্মী বিতর্কিত প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন যে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমান তথাকথিত 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং'-এর মাধ্যমে জনমতের প্রতিফলন বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের একটি সাক্ষাৎকারে এ সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
এর আগে গত ৫ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই দুই ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তোলা হয়েছিল। সেই দাবির ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাজপথে নিজেদের অবস্থান জানান দিল দলটি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াত নেতারা উল্লেখ করেন যে জনগণের রায় পাল্টে দেওয়ার মতো গুরুতর অপরাধে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ের দাবি।
বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বায়তুল মোকাররম ও পল্টনসহ সংলগ্ন এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দুপুরের আগে থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকতে দেখা যায়। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের সংঘাত ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ শেষ হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে গ্রেপ্তার ও জিজ্ঞাসাবাদের দাবিতে শুক্রবার জুমার নামাজের পর রাজধানীতে বিশাল বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ঢাকা মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিটি বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে আশপাশের এলাকা প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অংশ নেওয়া হাজারো নেতা-কর্মী বিতর্কিত প্রক্রিয়ায় নির্বাচনের ফলাফল প্রভাবিত করার চেষ্টার অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।
বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন যে সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও ড. খলিলুর রহমান তথাকথিত 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং'-এর মাধ্যমে জনমতের প্রতিফলন বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন। দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের একটি সাক্ষাৎকারে এ সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।
এর আগে গত ৫ মার্চ এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এই দুই ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তোলা হয়েছিল। সেই দাবির ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাজপথে নিজেদের অবস্থান জানান দিল দলটি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াত নেতারা উল্লেখ করেন যে জনগণের রায় পাল্টে দেওয়ার মতো গুরুতর অপরাধে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা বর্তমান সময়ের দাবি।
বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বায়তুল মোকাররম ও পল্টনসহ সংলগ্ন এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে দুপুরের আগে থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকতে দেখা যায়। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো ধরনের সংঘাত ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ শেষ হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন