দেশে পুলিশের আনুমানিক সদস্যসংখ্যা দুই লাখের বেশি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যদের প্রায় ৯৬ শতাংশ আগের ইউনিফর্ম পুনর্বহালের পক্ষে মত দিয়েছেন। এ কারণে পুরোনো পোশাকেই ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, পুলিশের পোশাক নির্ধারণের এখতিয়ার সরকারের। বর্তমানে পুলিশের ইউনিফর্ম নিয়ে যে মতামত জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে, তা নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে। এরপর সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে কোন পোশাক পুলিশের জন্য উপযোগী ও মানানসই হবে।
জানা গেছে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গোপন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত নতুন ইউনিফর্ম পুলিশ সদস্যদের ওপর কার্যত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ওই নতুন পোশাকের বিপক্ষে প্রায় ৯৬ শতাংশ পুলিশ সদস্য মতামত দিয়েছেন।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নতুন পোশাকের রঙ সংক্রান্ত চিঠি জারি হওয়ার পর বিভিন্ন জেলায় পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সম্প্রতি নরসিংদী জেলা পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ কল্যাণ সভায় উপস্থিত অধিকাংশ পুলিশ কর্মকর্তা পুনরায় পুরোনো ইউনিফর্মে ফেরার পক্ষে মত দেন। দেশের অন্যান্য জেলাতেও অনুষ্ঠিত জেলাভিত্তিক কল্যাণ সভাগুলোতে একই ধরনের মতামত উঠে এসেছে—পুলিশ সদস্যদের বড় একটি অংশ আগের পোশাকই পুনর্বহালের পক্ষে। এসব সভার প্রধান হিসেবে জেলা পুলিশ সুপাররা নিয়ম অনুযায়ী পুরোনো পোশাকের পক্ষে মতামতের ফলাফল পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
দেশে পুলিশের আনুমানিক সদস্যসংখ্যা দুই লাখের বেশি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্যদের প্রায় ৯৬ শতাংশ আগের ইউনিফর্ম পুনর্বহালের পক্ষে মত দিয়েছেন। এ কারণে পুরোনো পোশাকেই ফিরে যাওয়ার বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, পুলিশের পোশাক নির্ধারণের এখতিয়ার সরকারের। বর্তমানে পুলিশের ইউনিফর্ম নিয়ে যে মতামত জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে, তা নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে। এরপর সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে কোন পোশাক পুলিশের জন্য উপযোগী ও মানানসই হবে।
জানা গেছে, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গোপন ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত নতুন ইউনিফর্ম পুলিশ সদস্যদের ওপর কার্যত চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ওই নতুন পোশাকের বিপক্ষে প্রায় ৯৬ শতাংশ পুলিশ সদস্য মতামত দিয়েছেন।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নতুন পোশাকের রঙ সংক্রান্ত চিঠি জারি হওয়ার পর বিভিন্ন জেলায় পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সম্প্রতি নরসিংদী জেলা পুলিশ লাইনে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ কল্যাণ সভায় উপস্থিত অধিকাংশ পুলিশ কর্মকর্তা পুনরায় পুরোনো ইউনিফর্মে ফেরার পক্ষে মত দেন। দেশের অন্যান্য জেলাতেও অনুষ্ঠিত জেলাভিত্তিক কল্যাণ সভাগুলোতে একই ধরনের মতামত উঠে এসেছে—পুলিশ সদস্যদের বড় একটি অংশ আগের পোশাকই পুনর্বহালের পক্ষে। এসব সভার প্রধান হিসেবে জেলা পুলিশ সুপাররা নিয়ম অনুযায়ী পুরোনো পোশাকের পক্ষে মতামতের ফলাফল পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন