কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ছৈয়দ আলম দেড় বছর পর আবারও তার পদের দায়িত্বে ফিরেছেন। দীর্ঘ সময় আগে মামলা‑সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তবে আদালতের রায়ে তার স্বপদ পুনর্বহাল হওয়ায় আজ তিনি আবার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
জানা গেছে, মামলার কারণে গত প্রায় ১৮ মাস সময় তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। মামলা সংক্রান্ত জটিলতার নিষ্পত্তি ও আদালতের রায়ে তার স্থগিত পদ ফিরে পাওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সামনে আবার তিনি দায়িত্ব পালনে ফিরেছেন।
স্থানীয়রা মনে করছেন, তার এই পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনবে এবং স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজ ও জনসেবা আরও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে। প্রশাসনিক পর্যায়ে নির্বাহী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে দায়িত্ব পালনে ফিরে আসা স্থানীয় জননেতাদের কাজে লাগবে এবং স্থিতিশীলতা তৈরি করবে।
এ নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় দলের সক্রিয় নেতারা ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন এবং সাম্প্রতিক সময়ে দলের কার্যক্রম কিছুটা পুনরায় জোড়াল হচ্ছে। এটি দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা যোগিয়ে দিচ্ছে বলে মত ব্যক্ত করেন তাঁরা।
যদিও মামলার বিস্তারিত তথ্য সংবাদে একটি নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, আদালতের রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে যে আইনগত বাধা দূর হওয়ার পর তিনি আবার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে সক্ষম হয়েছেন।
এই পুনরুদ্ধার প্রাপ্তি স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখা হচ্ছে এবং আগামী দিনে ইউনিয়নের উন্নয়ন, শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় তার ভূমিকা ভালভাবে গঠিত হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা ছৈয়দ আলম দেড় বছর পর আবারও তার পদের দায়িত্বে ফিরেছেন। দীর্ঘ সময় আগে মামলা‑সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তবে আদালতের রায়ে তার স্বপদ পুনর্বহাল হওয়ায় আজ তিনি আবার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
জানা গেছে, মামলার কারণে গত প্রায় ১৮ মাস সময় তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। মামলা সংক্রান্ত জটিলতার নিষ্পত্তি ও আদালতের রায়ে তার স্থগিত পদ ফিরে পাওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের সামনে আবার তিনি দায়িত্ব পালনে ফিরেছেন।
স্থানীয়রা মনে করছেন, তার এই পুনরায় দায়িত্ব গ্রহণ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা ফিরিয়ে আনবে এবং স্থানীয় উন্নয়নমূলক কাজ ও জনসেবা আরও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে। প্রশাসনিক পর্যায়ে নির্বাহী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে দায়িত্ব পালনে ফিরে আসা স্থানীয় জননেতাদের কাজে লাগবে এবং স্থিতিশীলতা তৈরি করবে।
এ নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় দলের সক্রিয় নেতারা ইতোমধ্যেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন এবং সাম্প্রতিক সময়ে দলের কার্যক্রম কিছুটা পুনরায় জোড়াল হচ্ছে। এটি দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা যোগিয়ে দিচ্ছে বলে মত ব্যক্ত করেন তাঁরা।
যদিও মামলার বিস্তারিত তথ্য সংবাদে একটি নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি, আদালতের রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে যে আইনগত বাধা দূর হওয়ার পর তিনি আবার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিতে সক্ষম হয়েছেন।
এই পুনরুদ্ধার প্রাপ্তি স্থানীয় রাজনৈতিক পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণভাবে দেখা হচ্ছে এবং আগামী দিনে ইউনিয়নের উন্নয়ন, শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষায় তার ভূমিকা ভালভাবে গঠিত হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন