ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) বৃহস্পতিবার ভোরে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে “অপারেশন ট্রু প্রমিজ–৪”-এর ১৯তম দফার হামলা চালিয়েছে। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে চালানো এই আক্রমণে মধ্য ইসরায়েল এবং অধিকৃত আল-কুদসসহ বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, হামলায় ইরান উন্নত প্রযুক্তির হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে এবং কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার বোমা বা গুচ্ছ গোলাবারুদ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় শত শত সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে এবং আতঙ্কে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যায়।
ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানায়, গুশ দান অঞ্চলসহ প্রায় ১৯৪টি বসতিতে একযোগে বিপদ সংকেত জারি করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা তেল আবিব ও মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ১৫ থেকে ২০টি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন।
এদিকে কিছু খবরে বলা হয়েছে, হামলায় ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যদিও মার্কিন সেনাদের হতাহতের দাবি এখনো নিশ্চিত হয়নি।
আইআরজিসি জানিয়েছে, এর আগের ১৮তম দফার হামলায় তারা ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় ও বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হানে এবং অন্তত সাতটি উন্নত রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করার দাবি করে।
ইরান বলেছে, গত প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অধিকৃত অঞ্চলে চলমান সাইরেন ও বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান তাদের দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত ‘কঠোর প্রতিশোধ’ অভিযানের অংশ। বর্তমানে বেনি ব্রাকসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে এবং জরুরি সেবাগুলো আহতদের সহায়তায় কাজ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) বৃহস্পতিবার ভোরে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে “অপারেশন ট্রু প্রমিজ–৪”-এর ১৯তম দফার হামলা চালিয়েছে। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে চালানো এই আক্রমণে মধ্য ইসরায়েল এবং অধিকৃত আল-কুদসসহ বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, হামলায় ইরান উন্নত প্রযুক্তির হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে এবং কিছু ক্ষেপণাস্ত্রে ক্লাস্টার বোমা বা গুচ্ছ গোলাবারুদ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হামলা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় শত শত সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে এবং আতঙ্কে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটে যায়।
ইসরায়েলি হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানায়, গুশ দান অঞ্চলসহ প্রায় ১৯৪টি বসতিতে একযোগে বিপদ সংকেত জারি করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা তেল আবিব ও মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ১৫ থেকে ২০টি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন।
এদিকে কিছু খবরে বলা হয়েছে, হামলায় ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে, যদিও মার্কিন সেনাদের হতাহতের দাবি এখনো নিশ্চিত হয়নি।
আইআরজিসি জানিয়েছে, এর আগের ১৮তম দফার হামলায় তারা ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় ও বেন গুরিয়ান বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় আঘাত হানে এবং অন্তত সাতটি উন্নত রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করার দাবি করে।
ইরান বলেছে, গত প্রায় ১০০ ঘণ্টা ধরে অধিকৃত অঞ্চলে চলমান সাইরেন ও বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান তাদের দীর্ঘমেয়াদি ও পরিকল্পিত ‘কঠোর প্রতিশোধ’ অভিযানের অংশ। বর্তমানে বেনি ব্রাকসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে এবং জরুরি সেবাগুলো আহতদের সহায়তায় কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন