মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে মারাত্মক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এড হারস সতর্ক করেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহের অর্ধেকও যদি বাধাগ্রস্ত হয় এবং মার্কিন নৌবাহিনী ট্যাঙ্কারগুলো নিরাপদে পার করাতে না পারে, তাহলে পরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।
তিনি জানান, এরই মধ্যে এলএনজি বাজারে এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সংঘাত শুরুর প্রথম দিনেই দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং সোমবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। অনেক দেশ ইতিমধ্যে গ্যাসের বিকল্প হিসেবে পেট্রোলিয়াম মজুত শুরু করেছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এবং সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যাতায়াত করে। সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রপ্তানির প্রধান পথ এটি। কাতারের এলএনজি রপ্তানির প্রায় পুরোটাই এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই পথের কার্যকর বিকল্প পাইপলাইন অত্যন্ত সীমিত।
হারস আরও সতর্ক করেন, এই পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়বে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঙ্গরাজ্যগুলোতে এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে মারাত্মক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি বিশেষজ্ঞ এড হারস সতর্ক করেছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহের অর্ধেকও যদি বাধাগ্রস্ত হয় এবং মার্কিন নৌবাহিনী ট্যাঙ্কারগুলো নিরাপদে পার করাতে না পারে, তাহলে পরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।
তিনি জানান, এরই মধ্যে এলএনজি বাজারে এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সংঘাত শুরুর প্রথম দিনেই দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে এবং সোমবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। অনেক দেশ ইতিমধ্যে গ্যাসের বিকল্প হিসেবে পেট্রোলিয়াম মজুত শুরু করেছে।
হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এবং সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ যাতায়াত করে। সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রপ্তানির প্রধান পথ এটি। কাতারের এলএনজি রপ্তানির প্রায় পুরোটাই এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই পথের কার্যকর বিকল্প পাইপলাইন অত্যন্ত সীমিত।
হারস আরও সতর্ক করেন, এই পরিস্থিতির নেতিবাচক প্রভাব পড়বে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঙ্গরাজ্যগুলোতে এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন