খুলনা প্রতিনিধি: বটিয়াঘাটা থানার আলোচিত মস্তকবিহীন সালেহা বেগম হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিজার মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই খুলনা। রোববার (১ মার্চ ২০২৬) ঢাকার হাতিরঝিল থানাধীন মগবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্তে উঠে আসে, ভিকটিম সালেহা বেগম ও আসামি লালন গাজীর বাড়ি একই গ্রামে। সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পর তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। লালন গাজী পূর্বে বিবাহিত থাকা সত্ত্বেও সালেহাকে স্ত্রী পরিচয়ে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা যায়, সালেহার ব্যাংকে থাকা প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা কৌশলে আত্মসাৎ করেন লালন। পরে বিয়ে করার দাবিতে চাপ দিলে তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে লালন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯ আগস্ট ২০২৫ সন্ধ্যায় লালন গাজী ও তার মামাতো ভাই সিজার মোল্লা খুলনার বটিয়াঘাটা থানাধীন গজালিয়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে সালেহা বেগমকে হত্যা করে। পরিচয় গোপন করতে মৃতদেহের মাথা বিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর পিবিআই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মূল আসামি লালন গাজীকে গ্রেফতার করে এবং আলামত উদ্ধারপূর্বক আদালতে সোপর্দ করে। অপর আসামি সিজার মোল্লা দীর্ঘদিন পলাতক ছিল।
পিবিআই প্রধান মো. মোস্তফা কামালের তত্ত্বাবধান ও পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন পিপিএম-সেবা’র নেতৃত্বে একটি দল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর অবশেষে তাকে মগবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি হাসুয়া উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
মামলার তদন্ত তদারকি করছেন পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন পিপিএম-সেবা এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন এসআই (নিঃ) রেজোয়ান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
খুলনা প্রতিনিধি: বটিয়াঘাটা থানার আলোচিত মস্তকবিহীন সালেহা বেগম হত্যা মামলার পলাতক আসামি সিজার মোল্লাকে গ্রেফতার করেছে পিবিআই খুলনা। রোববার (১ মার্চ ২০২৬) ঢাকার হাতিরঝিল থানাধীন মগবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০ আগস্ট ২০২৫ তারিখে দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্তে উঠে আসে, ভিকটিম সালেহা বেগম ও আসামি লালন গাজীর বাড়ি একই গ্রামে। সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পর তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। লালন গাজী পূর্বে বিবাহিত থাকা সত্ত্বেও সালেহাকে স্ত্রী পরিচয়ে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা যায়, সালেহার ব্যাংকে থাকা প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা কৌশলে আত্মসাৎ করেন লালন। পরে বিয়ে করার দাবিতে চাপ দিলে তাকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করে লালন। পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯ আগস্ট ২০২৫ সন্ধ্যায় লালন গাজী ও তার মামাতো ভাই সিজার মোল্লা খুলনার বটিয়াঘাটা থানাধীন গজালিয়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে সালেহা বেগমকে হত্যা করে। পরিচয় গোপন করতে মৃতদেহের মাথা বিচ্ছিন্ন করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর পিবিআই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মূল আসামি লালন গাজীকে গ্রেফতার করে এবং আলামত উদ্ধারপূর্বক আদালতে সোপর্দ করে। অপর আসামি সিজার মোল্লা দীর্ঘদিন পলাতক ছিল।
পিবিআই প্রধান মো. মোস্তফা কামালের তত্ত্বাবধান ও পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন পিপিএম-সেবা’র নেতৃত্বে একটি দল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালায়। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর অবশেষে তাকে মগবাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তার দেওয়া তথ্যমতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি হাসুয়া উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
মামলার তদন্ত তদারকি করছেন পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন পিপিএম-সেবা এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন এসআই (নিঃ) রেজোয়ান।

আপনার মতামত লিখুন