বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি টানা সাত মাস ধরে কমছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই–ফেব্রুয়ারি সময়কালে দেশের মোট রপ্তানি আয় ৩.১৩ শতাংশ কমে ৩১.৯০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা এক বছরের আগে একই সময়ে ছিল ৩২.৯৪ বিলিয়ন ডলার। তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ফেব্রুয়ারিতে ১৩.২১ শতাংশ কমে ২.৮১ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, জুলাই–ফেব্রুয়ারি সাত মাসে তৈরি পোশাক খাতের আয় ৩.৭৩ শতাংশ কমে ২৫.৭৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। মাসভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগস্টে রপ্তানি কমেছে ৪.৭৫%, সেপ্টেম্বর ৫.৬৬%, অক্টোবর ৮.৩৯%, নভেম্বর ৫%, ডিসেম্বর ১৪.২৩%, জানুয়ারি ১.৩৫% এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ওভেন পোশাক কমেছে ২.৭৯%, নিট পোশাক কমেছে ৪.৫৬%।
ফেব্রুয়ারিতে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৪১ কোটি ডলার (গত বছর ১৫৯ কোটি) এবং নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৩৯ কোটি ডলার (গত বছর ১৬৫ কোটি)।
চলতি অর্থবছরের জুলাই–ফেব্রুয়ারি সাত মাসে নিটওয়্যার পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৩.৬৮ বিলিয়ন ডলার, যা ৪.৫৬% কম। জুলাই–ডিসেম্বরের মধ্যে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১২.১০ বিলিয়ন ডলার, যা ২.৭৯% কম।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কয়েক মাস ধরে রপ্তানি আয় কমছে এবং জুন পর্যন্ত অবনতি চলতে পারে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ব্যাংকিং খাতের সংকট এবং কারখানা বন্ধের কারণে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।
বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল মনে করেন, ইউরোপ ও মার্কিন বাজারে রপ্তানি কমার কারণে সামগ্রিক রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কারণে কাজের সময় কমে যাওয়াও ক্ষতির কারণ। নতুন সরকার আশা জাগাচ্ছে, কিন্তু ইরান যুদ্ধের ফলে বিশ্ববাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
বিষয় : রপ্তানি রপ্তানি_আয় পোশাক_শিল্প গার্মেন্টস

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি টানা সাত মাস ধরে কমছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই–ফেব্রুয়ারি সময়কালে দেশের মোট রপ্তানি আয় ৩.১৩ শতাংশ কমে ৩১.৯০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা এক বছরের আগে একই সময়ে ছিল ৩২.৯৪ বিলিয়ন ডলার। তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ফেব্রুয়ারিতে ১৩.২১ শতাংশ কমে ২.৮১ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, জুলাই–ফেব্রুয়ারি সাত মাসে তৈরি পোশাক খাতের আয় ৩.৭৩ শতাংশ কমে ২৫.৭৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। মাসভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, আগস্টে রপ্তানি কমেছে ৪.৭৫%, সেপ্টেম্বর ৫.৬৬%, অক্টোবর ৮.৩৯%, নভেম্বর ৫%, ডিসেম্বর ১৪.২৩%, জানুয়ারি ১.৩৫% এবং ফেব্রুয়ারি মাসে ওভেন পোশাক কমেছে ২.৭৯%, নিট পোশাক কমেছে ৪.৫৬%।
ফেব্রুয়ারিতে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৪১ কোটি ডলার (গত বছর ১৫৯ কোটি) এবং নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৩৯ কোটি ডলার (গত বছর ১৬৫ কোটি)।
চলতি অর্থবছরের জুলাই–ফেব্রুয়ারি সাত মাসে নিটওয়্যার পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৩.৬৮ বিলিয়ন ডলার, যা ৪.৫৬% কম। জুলাই–ডিসেম্বরের মধ্যে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১২.১০ বিলিয়ন ডলার, যা ২.৭৯% কম।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, কয়েক মাস ধরে রপ্তানি আয় কমছে এবং জুন পর্যন্ত অবনতি চলতে পারে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, ব্যাংকিং খাতের সংকট এবং কারখানা বন্ধের কারণে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হচ্ছে।
বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল মনে করেন, ইউরোপ ও মার্কিন বাজারে রপ্তানি কমার কারণে সামগ্রিক রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের কারণে কাজের সময় কমে যাওয়াও ক্ষতির কারণ। নতুন সরকার আশা জাগাচ্ছে, কিন্তু ইরান যুদ্ধের ফলে বিশ্ববাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন