ইরানি রাষ্ট্রসংস্থা এবং সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালেই ওই স্কুলটি আঘাতের মুখে পড়ে এবং অনেক ছাত্রছাত্রী ও কর্মী নিহত ও আহত হয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১৬৫ জনের মতো বর্ণনা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর ৩ মার্চ মিনাব শহরে একটি বৃহৎ গণজানাজা ও শোক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার মানুষ সেখানে মিলিত হয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন এবং তাদের কবর খনন করার দৃশ্য দেখানো হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী, পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা কষ্টভরা মুহূর্তে অংশ নিয়েছেন।
ইরানি সরকার ও কর্মকর্তারা এই হামলাটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক পরিচালিত হামলা বলেও দাবি করেছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা এটিকে “নিরপরাধ শিশু ও বেসামরিক নাগরিকদের উপর হামলা” বলে অভিহিত করে মানবিক ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে পশ্চিমা পক্ষ, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, এই ঘটনার দায় প্রত্যাখ্যান করেছে বা সরাসরি দায় স্বীকার করেনি এবং ঘটনার তদন্তের আহ্বান করছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন পক্ষের হামলা ছিল এবং কি কারণে স্কুলটি আঘাতপ্রাপ্ত হলো, সেই বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে এবং ঘটনাটিকে মানবিক ও আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে মূল্যায়ন করার অনুরোধ করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৬
ইরানি রাষ্ট্রসংস্থা এবং সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালেই ওই স্কুলটি আঘাতের মুখে পড়ে এবং অনেক ছাত্রছাত্রী ও কর্মী নিহত ও আহত হয়েছে, নিহতের সংখ্যা ১৬৫ জনের মতো বর্ণনা করা হচ্ছে।
ঘটনার পর ৩ মার্চ মিনাব শহরে একটি বৃহৎ গণজানাজা ও শোক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। হাজার হাজার মানুষ সেখানে মিলিত হয়ে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন এবং তাদের কবর খনন করার দৃশ্য দেখানো হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী, পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা কষ্টভরা মুহূর্তে অংশ নিয়েছেন।
ইরানি সরকার ও কর্মকর্তারা এই হামলাটিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক পরিচালিত হামলা বলেও দাবি করেছেন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা এটিকে “নিরপরাধ শিশু ও বেসামরিক নাগরিকদের উপর হামলা” বলে অভিহিত করে মানবিক ও আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন।
এদিকে পশ্চিমা পক্ষ, বিশেষত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, এই ঘটনার দায় প্রত্যাখ্যান করেছে বা সরাসরি দায় স্বীকার করেনি এবং ঘটনার তদন্তের আহ্বান করছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন পক্ষের হামলা ছিল এবং কি কারণে স্কুলটি আঘাতপ্রাপ্ত হলো, সেই বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।
এই ঘটনাকে ঘিরে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে এবং ঘটনাটিকে মানবিক ও আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে মূল্যায়ন করার অনুরোধ করছে।

আপনার মতামত লিখুন