ধুনট উপজেলা ও ধুনট পৌরসভার রাজনৈতিক অঙ্গনে ত্যাগ ও জনসেবার এক পরিচিত নাম মোঃ আলিমুদ্দিন হারুন মন্ডল আবারও আলোচনায় এসেছেন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে রাজনীতিতে ইতিবাচকভাবে অনুপ্রাণিত করতে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তরুণ বয়সেই তিনি জনসেবায় যুক্ত হন। ১৯৮৩ সালে প্রথমবারের মতো ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। পরে ১৯৯২ সালে পুনরায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। সততা ও দক্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে সম্মাননা লাভ করেন, যা সে সময় স্থানীয় রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল।
পরবর্তীতে ২০০২ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পৌর মেয়র নির্বাচিত হন। স্থানীয়দের মতে, এ বিজয় ছিল দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে মানুষের আস্থা অর্জনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। রাজনৈতিক জীবনে নানা চড়াই-উতরাই থাকলেও তিনি নিজের আদর্শে অবিচল ছিলেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠরা দাবি করেন।
প্রতিকূল সময়ে দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের পাশে দাঁড়ানো ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। অনেক সময় তাঁর বাড়ি রাজনৈতিক কর্মীদের আশ্রয়স্থল হিসেবেও ব্যবহৃত হয়েছে। ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্য ত্যাগ করেও তিনি আদর্শ থেকে সরে যাননি বলে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানান।
২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত সময়টি তাঁর জন্য চ্যালেঞ্জপূর্ণ হলেও তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। তাঁর মতে, নেতৃত্ব মানে শুধু পদ পাওয়া নয়, বরং মানুষের আস্থার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা।
স্থানীয় বিশ্লেষকদের অভিমত, আলিমুদ্দিন হারুন মন্ডলের রাজনৈতিক জীবন ধুনটের তরুণদের জন্য একটি স্পষ্ট বার্তা দেয়—নেতৃত্বের মূল শক্তি হলো ত্যাগ, দায়িত্ববোধ এবং মানুষের বিশ্বাস অর্জন।
আপনার মতামত লিখুন