কুয়েতে একাধিক হামলার ঘটনায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্মকর্তারা। রোববার প্রথম একজন সেনার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে United States Central Command নিশ্চিত করে যে, কুয়েতের শুইবা বন্দরে হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতের একটি বেসামরিক বন্দরে সরাসরি আঘাত হানে হামলাকারীরা। পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত কিন্তু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় সময় সকাল ৯টার কিছুক্ষণ পর হামলাটি ঘটে। একটি ভবনের কেন্দ্রে সরাসরি আঘাত লাগে, যেখানে তিনটি ট্রেলার ইউনিট একত্র করে অস্থায়ী একটি কৌশলগত কার্যক্রম কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth বলেন, একটি ‘সুরক্ষিত কৌশলগত অভিযান কেন্দ্র’-এ হামলার ঘটনায় সেনারা নিহত হন। কেন্দ্রটি সুরক্ষিত থাকা সত্ত্বেও একটি প্রক্ষিপ্ত বস্তু বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে আঘাত হানে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার সময় কোনো সাইরেন বা সতর্ক সংকেত বাজেনি, ফলে সেনারা নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার সুযোগ পাননি। এ ঘটনার পর কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
কুয়েতে একাধিক হামলার ঘটনায় ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন কর্মকর্তারা। রোববার প্রথম একজন সেনার মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরবর্তীতে সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে United States Central Command নিশ্চিত করে যে, কুয়েতের শুইবা বন্দরে হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, কুয়েতের একটি বেসামরিক বন্দরে সরাসরি আঘাত হানে হামলাকারীরা। পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত কিন্তু নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় সময় সকাল ৯টার কিছুক্ষণ পর হামলাটি ঘটে। একটি ভবনের কেন্দ্রে সরাসরি আঘাত লাগে, যেখানে তিনটি ট্রেলার ইউনিট একত্র করে অস্থায়ী একটি কৌশলগত কার্যক্রম কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth বলেন, একটি ‘সুরক্ষিত কৌশলগত অভিযান কেন্দ্র’-এ হামলার ঘটনায় সেনারা নিহত হন। কেন্দ্রটি সুরক্ষিত থাকা সত্ত্বেও একটি প্রক্ষিপ্ত বস্তু বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে আঘাত হানে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার সময় কোনো সাইরেন বা সতর্ক সংকেত বাজেনি, ফলে সেনারা নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার সুযোগ পাননি। এ ঘটনার পর কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন