ওমান উপসাগরে অবস্থানরত ইরানের নৌবাহিনীর সকল যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করার এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সেন্টকোম জানিয়েছে যে, ওই অঞ্চলে টহলরত ইরানের ১১টি যুদ্ধজাহাজের সবকটিকেই মার্কিন বাহিনীর অভিযানে সফলভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপকে তেহরানের সামুদ্রিক সক্ষমতার ওপর এক চূড়ান্ত আঘাত হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
সেন্টকোমের প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলা হয়েছে, “মাত্র দুই দিন আগেও ওমান উপসাগরে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর ১১টি যুদ্ধজাহাজ টহল দিয়ে বেড়াচ্ছিল। কিন্তু গত সোমবারের অভিযানের পর সেই সংখ্যাটি এখন শূন্যে (ZERO) নেমে এসেছে।” বর্তমানে ওমান উপসাগরের বিস্তৃত জলসীমায় ইরানের কোনো কার্যকর যুদ্ধজাহাজ অবশিষ্ট নেই বলে মার্কিন সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে। এই অভিযানের মাধ্যমে তেহরানের নৌ-আগ্রাসনকে নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে বলে ওয়াশিংটন দাবি করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের বিবৃতিতে ইরানের বিগত কয়েক দশকের নৌ-তৎপরতার কঠোর সমালোচনা করেছে। সেন্টকোম উল্লেখ করেছে যে, গত কয়েক দশক ধরে ওমান উপসাগরে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ইরান ধারাবাহিকভাবে হামলা এবং হয়রানি চালিয়ে আসছিল। মার্কিন কমান্ডের দাবি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যের পথে ইরানের সেই প্রতিবন্ধকতা তৈরির দিনগুলো এখন চিরতরে শেষ হয়ে গেছে। এখন থেকে এই অঞ্চলে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র তার অবিচল অবস্থান বজায় রাখবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই অভিযানের সাফল্য নিয়ে পৃথক বার্তা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, মার্কিন বাহিনীর অভিযানে ইরানের নৌ-সদরদপ্তরও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূলত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে পরিচালিত এই নৌ-অভিযানে অত্যাধুনিক স্টিলথ বোমারু বিমান এবং গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওমান উপসাগরে ইরানের এই বিশাল নৌ-বিপর্যয় মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতির সমীকরণকে এক নতুন এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল দিকে মোড় নিতে বাধ্য করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মার্চ ২০২৬
ওমান উপসাগরে অবস্থানরত ইরানের নৌবাহিনীর সকল যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করার এক চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সেন্টকোম জানিয়েছে যে, ওই অঞ্চলে টহলরত ইরানের ১১টি যুদ্ধজাহাজের সবকটিকেই মার্কিন বাহিনীর অভিযানে সফলভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপকে তেহরানের সামুদ্রিক সক্ষমতার ওপর এক চূড়ান্ত আঘাত হিসেবে দেখছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
সেন্টকোমের প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলা হয়েছে, “মাত্র দুই দিন আগেও ওমান উপসাগরে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর ১১টি যুদ্ধজাহাজ টহল দিয়ে বেড়াচ্ছিল। কিন্তু গত সোমবারের অভিযানের পর সেই সংখ্যাটি এখন শূন্যে (ZERO) নেমে এসেছে।” বর্তমানে ওমান উপসাগরের বিস্তৃত জলসীমায় ইরানের কোনো কার্যকর যুদ্ধজাহাজ অবশিষ্ট নেই বলে মার্কিন সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে। এই অভিযানের মাধ্যমে তেহরানের নৌ-আগ্রাসনকে নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে বলে ওয়াশিংটন দাবি করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনী তাদের বিবৃতিতে ইরানের বিগত কয়েক দশকের নৌ-তৎপরতার কঠোর সমালোচনা করেছে। সেন্টকোম উল্লেখ করেছে যে, গত কয়েক দশক ধরে ওমান উপসাগরে চলাচলকারী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ইরান ধারাবাহিকভাবে হামলা এবং হয়রানি চালিয়ে আসছিল। মার্কিন কমান্ডের দাবি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক নৌ-বাণিজ্যের পথে ইরানের সেই প্রতিবন্ধকতা তৈরির দিনগুলো এখন চিরতরে শেষ হয়ে গেছে। এখন থেকে এই অঞ্চলে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র তার অবিচল অবস্থান বজায় রাখবে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এই অভিযানের সাফল্য নিয়ে পৃথক বার্তা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন যে, মার্কিন বাহিনীর অভিযানে ইরানের নৌ-সদরদপ্তরও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূলত ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে পরিচালিত এই নৌ-অভিযানে অত্যাধুনিক স্টিলথ বোমারু বিমান এবং গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওমান উপসাগরে ইরানের এই বিশাল নৌ-বিপর্যয় মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক যুদ্ধ পরিস্থিতির সমীকরণকে এক নতুন এবং অত্যন্ত সংবেদনশীল দিকে মোড় নিতে বাধ্য করছে।

আপনার মতামত লিখুন