ইলিশের পোনা (জাটকা) সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষ্যে চাঁদপুর জেলার পদ্মা–মেঘনাসহ ছয়টি নদী অঞ্চলে দুই মাসের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৬নং চরভৈরবী ইউনিয়নে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ ২০২৬) ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬নং চরভৈরবী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউসুফ জুবায়ের শিমুল চোকদার। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, পরিষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
চাল বিতরণকালে চেয়ারম্যান ইউসুফ জুবায়ের শিমুল চোকদার বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। জাটকা সংরক্ষণে সরকার ঘোষিত দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এই সময়ে কোনো জেলে যদি মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয় বা মজুদের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সাময়িক এই কষ্ট মেনে নিয়ে ভবিষ্যতে অধিক ইলিশ উৎপাদনের স্বার্থে জেলেদের সবাইকে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে জাটকা সংরক্ষণে সরকার এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করে থাকে। এর ফলে নদীতে ইলিশের প্রজনন ও বৃদ্ধি নিশ্চিত হয় এবং ভবিষ্যতে জেলেরা অধিক হারে মাছ আহরণের সুযোগ পান।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সরকারের সহায়তা অব্যাহত থাকলে তারা নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে প্রস্তুত রয়েছেন।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
ইলিশের পোনা (জাটকা) সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি লক্ষ্যে চাঁদপুর জেলার পদ্মা–মেঘনাসহ ছয়টি নদী অঞ্চলে দুই মাসের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয় ও মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার। এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৬নং চরভৈরবী ইউনিয়নে জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ ২০২৬) ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৬নং চরভৈরবী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউসুফ জুবায়ের শিমুল চোকদার। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, পরিষদের সদস্যবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
চাল বিতরণকালে চেয়ারম্যান ইউসুফ জুবায়ের শিমুল চোকদার বলেন, ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। জাটকা সংরক্ষণে সরকার ঘোষিত দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এই সময়ে কোনো জেলে যদি মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয় বা মজুদের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, সাময়িক এই কষ্ট মেনে নিয়ে ভবিষ্যতে অধিক ইলিশ উৎপাদনের স্বার্থে জেলেদের সবাইকে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ে জাটকা সংরক্ষণে সরকার এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করে থাকে। এর ফলে নদীতে ইলিশের প্রজনন ও বৃদ্ধি নিশ্চিত হয় এবং ভবিষ্যতে জেলেরা অধিক হারে মাছ আহরণের সুযোগ পান।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সরকারের সহায়তা অব্যাহত থাকলে তারা নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে প্রস্তুত রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন