ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির গায়েবানা জানাজা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) রাত সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদিক কায়েম।
জানাজা শেষে ডাকসুর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ভিসি চত্বর থেকে শুরু হয়ে হলপাড়া ঘুরে টিএসসির সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
সমাবেশে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, সারা বিশ্বে মুসলমানদের ওপর জুলুম ও নিপীড়নের মূল কারণ হলো মুসলিম বিশ্বের বিভাজন। তিনি মুসলিম বিশ্বের যুবসমাজ ও রাষ্ট্রপ্রধানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। কূটনৈতিক আলোচনার মাঝেই ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনীর হামলার নিন্দা করে তিনি বলেন, নেতাদের শহীদ করে আদর্শ থামিয়ে দেওয়া যাবে না — সারা বিশ্বের মজলুমরা সেই আদর্শ ধারণ করবে। তিনি সতর্ক করেন, ইরানে যে হামলা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ না হলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে।
ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ বলেন, ফিলিস্তিন, ইরান ও ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের ওপর আগ্রাসন ও হত্যাযজ্ঞের বিষয়ে বিশ্ব মিডিয়া ও প্রভাবশালী মহলের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ। বিশ্ব মানবতার পক্ষের সব মানুষকে ইরান ও ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন।
সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ইমাম খামেনির শাহাদাতের যথাযথ স্বীকৃতি বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে দেওয়া উচিত ছিল। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিতে এবং বাংলাদেশের মানুষের আবেগের প্রতি সম্মান দেখাতে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির গায়েবানা জানাজা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১ মার্চ ২০২৬) রাত সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদিক কায়েম।
জানাজা শেষে ডাকসুর নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ভিসি চত্বর থেকে শুরু হয়ে হলপাড়া ঘুরে টিএসসির সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ এবং সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
সমাবেশে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, সারা বিশ্বে মুসলমানদের ওপর জুলুম ও নিপীড়নের মূল কারণ হলো মুসলিম বিশ্বের বিভাজন। তিনি মুসলিম বিশ্বের যুবসমাজ ও রাষ্ট্রপ্রধানদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। কূটনৈতিক আলোচনার মাঝেই ইসরায়েল ও মার্কিন বাহিনীর হামলার নিন্দা করে তিনি বলেন, নেতাদের শহীদ করে আদর্শ থামিয়ে দেওয়া যাবে না — সারা বিশ্বের মজলুমরা সেই আদর্শ ধারণ করবে। তিনি সতর্ক করেন, ইরানে যে হামলা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ না হলে পরিণতি আরও ভয়াবহ হবে।
ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ বলেন, ফিলিস্তিন, ইরান ও ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের ওপর আগ্রাসন ও হত্যাযজ্ঞের বিষয়ে বিশ্ব মিডিয়া ও প্রভাবশালী মহলের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ। বিশ্ব মানবতার পক্ষের সব মানুষকে ইরান ও ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি ন্যায়বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন।
সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, ইমাম খামেনির শাহাদাতের যথাযথ স্বীকৃতি বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয়ভাবে দেওয়া উচিত ছিল। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিতে এবং বাংলাদেশের মানুষের আবেগের প্রতি সম্মান দেখাতে।

আপনার মতামত লিখুন