বগুড়া শহরে কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বগুড়া প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া।
সংগঠনগুলো জানিয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রকৃত গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত মর্যাদা ও জনমনের আস্থা ক্ষুণ্ণ করছে। প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল হাসান রানু ও সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি গনেশ দাস ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সাঈদ যৌথ বিবৃতিতে বলেন, সাংবাদিকতার নামে প্রতারণা ও চাঁদাবাজি কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশার মর্যাদা রক্ষায় প্রকৃত সাংবাদিক ও ভুয়া পরিচয়ধারীদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ, যথাযথ নিবন্ধন ও নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, অবিলম্বে ভুয়া সাংবাদিকদের আইনের আওতায় না আনা হলে সাংবাদিক সমাজ বৃহত্তর কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
বিবৃতিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে গণমাধ্যমের মর্যাদা ও জনআস্থা অক্ষুণ্ণ থাকে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
বগুড়া শহরে কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বগুড়া প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়া।
সংগঠনগুলো জানিয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রকৃত গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত মর্যাদা ও জনমনের আস্থা ক্ষুণ্ণ করছে। প্রেসক্লাবের সভাপতি রেজাউল হাসান রানু ও সাধারণ সম্পাদক কালাম আজাদ এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার সভাপতি গনেশ দাস ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আবু সাঈদ যৌথ বিবৃতিতে বলেন, সাংবাদিকতার নামে প্রতারণা ও চাঁদাবাজি কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।
নেতৃবৃন্দ বলেন, পেশার মর্যাদা রক্ষায় প্রকৃত সাংবাদিক ও ভুয়া পরিচয়ধারীদের মধ্যে সুস্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ, যথাযথ নিবন্ধন ও নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, অবিলম্বে ভুয়া সাংবাদিকদের আইনের আওতায় না আনা হলে সাংবাদিক সমাজ বৃহত্তর কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
বিবৃতিতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে গণমাধ্যমের মর্যাদা ও জনআস্থা অক্ষুণ্ণ থাকে।

আপনার মতামত লিখুন