দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানি বেড়ে ১৪৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৯৫ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শনিবার এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের প্রায় অর্ধেকই বেসামরিক নাগরিক।
মিনাবের প্রাদেশিক গভর্নর মোহাম্মদ রাদমেহর জানিয়েছেন, শনিবার সকালে শাজারে তাইয়্যেবা নামে মেয়েদের প্রাথমিক স্কুলে সরাসরি বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল।
তিনি বলেন, হামলার সময় ১৭০ জন ছাত্রী স্কুলে ছিল। বহু শিক্ষার্থী এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েনের সূত্রপাত হয়। ইরানকে পরমাণু গবেষণা ও কর্মসূচি বন্ধ করতে বারবার সতর্ক করে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এরপরও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতিস্বীকার করেনি ইরান। ইরানের অনমনীয় মনোভাবে ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
দুই দেশের এই টানাপোড়েন নিরসনে বেশ কয়েকবার বৈঠকও হয়। কিন্তু কোনো সমাধানসূত্র বের হয়নি। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডেও বৈঠকে বসেছিল দেশ দুটি, তবে সেই বৈঠকও ফলপ্রসূ হয়নি। এরপরই ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন—ইরান যদি তাদের অবস্থান থেকে সরে না আসে, তাহলে এর ফল ভুগতে হবে। সেই হুঁশিয়ারির কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানি বেড়ে ১৪৮ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৯৫ জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শনিবার এই হামলার ঘটনা ঘটে।
ইরানি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের প্রায় অর্ধেকই বেসামরিক নাগরিক।
মিনাবের প্রাদেশিক গভর্নর মোহাম্মদ রাদমেহর জানিয়েছেন, শনিবার সকালে শাজারে তাইয়্যেবা নামে মেয়েদের প্রাথমিক স্কুলে সরাসরি বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল।
তিনি বলেন, হামলার সময় ১৭০ জন ছাত্রী স্কুলে ছিল। বহু শিক্ষার্থী এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে আছে। উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েনের সূত্রপাত হয়। ইরানকে পরমাণু গবেষণা ও কর্মসূচি বন্ধ করতে বারবার সতর্ক করে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এরপরও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে নতিস্বীকার করেনি ইরান। ইরানের অনমনীয় মনোভাবে ক্ষুব্ধ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
দুই দেশের এই টানাপোড়েন নিরসনে বেশ কয়েকবার বৈঠকও হয়। কিন্তু কোনো সমাধানসূত্র বের হয়নি। সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডেও বৈঠকে বসেছিল দেশ দুটি, তবে সেই বৈঠকও ফলপ্রসূ হয়নি। এরপরই ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন—ইরান যদি তাদের অবস্থান থেকে সরে না আসে, তাহলে এর ফল ভুগতে হবে। সেই হুঁশিয়ারির কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানে হামলা চালায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র।

আপনার মতামত লিখুন