পার্বত্য চট্টগ্রামের ১৯০০ সালের শাসনবিধি বাতিল, আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদে নির্বাচন আয়োজনসহ সাত দফা দাবিতে একযোগে তিন জেলায় স্মারকলিপি দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো।
রোববার দুপুর ১২টায় খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার জেলা প্রশাসকদের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন সংগঠনের নেতারা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ এবং তিন জেলা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে অনির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এতে জবাবদিহিতার ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যের অভিযোগ বাড়ছে। তাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করে চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে বাঙালি জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের সুযোগ, এবং চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের জন্য ভাইস চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানানো হয়। সংগঠনের নেতারা বলেন, পাহাড়ে সশস্ত্র বিভিন্ন গ্রুপের তৎপরতায় চাঁদাবাজি, অপহরণ ও সহিংসতার ঘটনা বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রত্যাহারকৃত ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন, দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং ১ হাজার ৩৬ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি তোলা হয়।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি এবং ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই এসব বাতিল করে সমতলের জেলার মতো সংবিধানের আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনের দাবি জানায় সংগঠনটি।
এ ছাড়া ভূমি কমিশন আইন সংশোধন, সব সম্প্রদায়ের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ, বাজারফান্ড এলাকায় হাউজ লোন চালু রাখা এবং শিক্ষা, চাকরি ও নেতৃত্বে বৈষম্য দূর করার দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
জেলা প্রশাসকরা স্মারকলিপি গ্রহণ করে বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামের ১৯০০ সালের শাসনবিধি বাতিল, আঞ্চলিক ও জেলা পরিষদে নির্বাচন আয়োজনসহ সাত দফা দাবিতে একযোগে তিন জেলায় স্মারকলিপি দিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি) ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো।
রোববার দুপুর ১২টায় খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলার জেলা প্রশাসকদের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন সংগঠনের নেতারা।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ এবং তিন জেলা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে অনির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এতে জবাবদিহিতার ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং দুর্নীতি ও বৈষম্যের অভিযোগ বাড়ছে। তাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দ্রুত নির্বাচন আয়োজন করে চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান পদে বাঙালি জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণের সুযোগ, এবং চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের জন্য ভাইস চেয়ারম্যান পদ সৃষ্টির প্রস্তাব করা হয়।
নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ জানানো হয়। সংগঠনের নেতারা বলেন, পাহাড়ে সশস্ত্র বিভিন্ন গ্রুপের তৎপরতায় চাঁদাবাজি, অপহরণ ও সহিংসতার ঘটনা বাড়ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রত্যাহারকৃত ২৪৬টি সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপন, দুর্গম এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং ১ হাজার ৩৬ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি তোলা হয়।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনবিধি এবং ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই এসব বাতিল করে সমতলের জেলার মতো সংবিধানের আলোকে পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসনের দাবি জানায় সংগঠনটি।
এ ছাড়া ভূমি কমিশন আইন সংশোধন, সব সম্প্রদায়ের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ, বাজারফান্ড এলাকায় হাউজ লোন চালু রাখা এবং শিক্ষা, চাকরি ও নেতৃত্বে বৈষম্য দূর করার দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
জেলা প্রশাসকরা স্মারকলিপি গ্রহণ করে বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

আপনার মতামত লিখুন