ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাত বরণের ঘটনায় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। আজ রবিবার (১ মার্চ) ইরাক সরকারের পক্ষ থেকে এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
ইরাকি নিউজ এজেন্সি (আইএনএ) জানিয়েছে, সরকারের মুখপাত্র বাসেম আল-আওয়াদি এক শোকবার্তায় এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “মহামান্য গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ সাইয়্যিদ আলী আল-হুসাইনি আল-খামেনির শাহাদাত বরণে আমরা ইরানি জনগণ, সমগ্র মুসলিম উম্মাহ এবং মহান আলেম ও মুজাহিদদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”
বিবৃতিতে ইরাক সরকার এই হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘জঘন্য আগ্রাসন’ এবং ‘নিন্দনীয় কাজ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বাসেম আল-আওয়াদি আরও উল্লেখ করেন যে, এই হামলা সমস্ত মানবিক ও নৈতিক রীতিনীতি লঙ্ঘন করেছে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও কনভেনশনগুলোর একটি স্পষ্ট পরিপন্থী কাজ।
খামেনির মৃত্যুসংবাদ প্রচারের পর থেকেই ইরাকের রাজধানী বাগদাদসহ বিভিন্ন শহরে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিশেষ করে শিয়া প্রধান এলাকাগুলোতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং ভ্রাতৃপ্রতিম প্রতিবেশী দেশের এই অপূরণীয় ক্ষতিতে সংহতি প্রকাশ করতেই ইরাক সরকার তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় শোকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় তেহরানে নিজ কার্যালয়ে কর্তব্যরত অবস্থায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ইরানসহ বেশ কিছু দেশ ইতিমধ্যে পাল্টা হামলার ঘোষণা দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শাহাদাত বরণের ঘটনায় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। আজ রবিবার (১ মার্চ) ইরাক সরকারের পক্ষ থেকে এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।
ইরাকি নিউজ এজেন্সি (আইএনএ) জানিয়েছে, সরকারের মুখপাত্র বাসেম আল-আওয়াদি এক শোকবার্তায় এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “মহামান্য গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ সাইয়্যিদ আলী আল-হুসাইনি আল-খামেনির শাহাদাত বরণে আমরা ইরানি জনগণ, সমগ্র মুসলিম উম্মাহ এবং মহান আলেম ও মুজাহিদদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।”
বিবৃতিতে ইরাক সরকার এই হত্যাকাণ্ডকে একটি ‘জঘন্য আগ্রাসন’ এবং ‘নিন্দনীয় কাজ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। বাসেম আল-আওয়াদি আরও উল্লেখ করেন যে, এই হামলা সমস্ত মানবিক ও নৈতিক রীতিনীতি লঙ্ঘন করেছে এবং এটি আন্তর্জাতিক আইন ও কনভেনশনগুলোর একটি স্পষ্ট পরিপন্থী কাজ।
খামেনির মৃত্যুসংবাদ প্রচারের পর থেকেই ইরাকের রাজধানী বাগদাদসহ বিভিন্ন শহরে শোকের ছায়া নেমে আসে। বিশেষ করে শিয়া প্রধান এলাকাগুলোতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং ভ্রাতৃপ্রতিম প্রতিবেশী দেশের এই অপূরণীয় ক্ষতিতে সংহতি প্রকাশ করতেই ইরাক সরকার তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় শোকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলায় তেহরানে নিজ কার্যালয়ে কর্তব্যরত অবস্থায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং ইরানসহ বেশ কিছু দেশ ইতিমধ্যে পাল্টা হামলার ঘোষণা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন