ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে একটি বড় ভুল করেছে বলে মনে করেন ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক আটলান্টিক কাউন্সিলের উপদেষ্টা এবং কিলওয়েন গ্রুপের কৌশলগত উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান হারলান উলম্যান।
রোববার (১ মার্চ ২০২৬) আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উলম্যান বলেন, খামেনি এখন অনেকের চোখেই শহীদ। তাকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি সহজ হয়ে যাবে — এমনটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। বরং এর ফলে ইরানের ভেতরে প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হতে পারে।
সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে আলী লারিজানির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, লারিজানি যদি জীবিত থাকেন, তাহলে তিনি অত্যন্ত দক্ষ এবং কঠোর অবস্থান নেওয়ার সক্ষম একজন নেতা। সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি হতে পারেন একজন ভয়ংকর প্রতিপক্ষ।
উলম্যান আরও বলেন, খামেনিকে হত্যার পর ওয়াশিংটনের দ্রুত কোনো কূটনৈতিক সমঝোতার আশা করা উচিত হবে না। তিনি উদাহরণ দেন যে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহৃত হওয়ার পর যে রাজনৈতিক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, ইরানের ক্ষেত্রেও তেমন জটিল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
শীর্ষ নেতৃত্ব নির্মূলের কৌশল নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ তখনই কার্যকর হয় যখন প্রতিপক্ষের সমস্ত শীর্ষ নেতাকে একসঙ্গে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়। আমার মনে হয় না আমরা সব নেতাকে সরিয়ে দিতে পেরেছি। বরং উল্টো হয়েছে — আমরা হয়তো লারিজানিকে আরও শক্তিশালী করে দিয়েছি, যা ভবিষ্যতে আমাদের জন্যই নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
এই বিশ্লেষকের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে সহজ কোনো সমঝোতার পথ আর খোলা নেই।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগতভাবে একটি বড় ভুল করেছে বলে মনে করেন ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক আটলান্টিক কাউন্সিলের উপদেষ্টা এবং কিলওয়েন গ্রুপের কৌশলগত উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান হারলান উলম্যান।
রোববার (১ মার্চ ২০২৬) আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উলম্যান বলেন, খামেনি এখন অনেকের চোখেই শহীদ। তাকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি সহজ হয়ে যাবে — এমনটা ভাবার কোনো সুযোগ নেই। বরং এর ফলে ইরানের ভেতরে প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হতে পারে।
সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে আলী লারিজানির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, লারিজানি যদি জীবিত থাকেন, তাহলে তিনি অত্যন্ত দক্ষ এবং কঠোর অবস্থান নেওয়ার সক্ষম একজন নেতা। সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি হতে পারেন একজন ভয়ংকর প্রতিপক্ষ।
উলম্যান আরও বলেন, খামেনিকে হত্যার পর ওয়াশিংটনের দ্রুত কোনো কূটনৈতিক সমঝোতার আশা করা উচিত হবে না। তিনি উদাহরণ দেন যে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহৃত হওয়ার পর যে রাজনৈতিক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল, ইরানের ক্ষেত্রেও তেমন জটিল পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
শীর্ষ নেতৃত্ব নির্মূলের কৌশল নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ তখনই কার্যকর হয় যখন প্রতিপক্ষের সমস্ত শীর্ষ নেতাকে একসঙ্গে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়। আমার মনে হয় না আমরা সব নেতাকে সরিয়ে দিতে পেরেছি। বরং উল্টো হয়েছে — আমরা হয়তো লারিজানিকে আরও শক্তিশালী করে দিয়েছি, যা ভবিষ্যতে আমাদের জন্যই নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
এই বিশ্লেষকের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতিতে সহজ কোনো সমঝোতার পথ আর খোলা নেই।

আপনার মতামত লিখুন