দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার আলোচিত জুটি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উদয়পুরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করেছেন। এই বিয়ের অন্যতম আকর্ষণ ছিল তাদের ঐতিহ্যবাহী ও ভারী স্বর্ণালঙ্কার, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে।
বিয়ের গহনাগুলি তৈরি করা হয় দক্ষিণ ভারতের ঐতিহ্যবাহী “টেম্পল জুয়েলারী” স্টাইলে। রাশমিকাকে পরানো মোট ১১টি স্বর্ণালঙ্কার, যার মধ্যে চোকার, ঝুমকা, মাথাপট্টি, হাতফুল, নূপুরসহ নানা ডিজাইনার জুয়েলারি অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিজয়কে পরানো গহনাগুলি রাজকীয় স্টাইলে ডিজাইন করা হয়েছিল। গহনা তৈরিতে প্রায় ১০ মাস সময় লেগেছে।
রাশমিকাকে পরানো গহনার ওজন প্রায় ১.৫–২ কেজি, আর বিজয়ের গহনাগুলোর ওজন প্রায় ০.৫ কেজি। এতে দম্পতির মোট স্বর্ণের ওজন আনুমানিক ৩ কেজি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটি মিডিয়া অনুমানভিত্তিক, অফিসিয়াল ঘোষণা এখনও আসেনি।
গহনা কেবল মূল্যবান নয়, বরং এটি দক্ষিণ ভারতীয় ঐতিহ্য ও শিল্পের এক প্রতীক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজাইন, নকশা ও রত্ন সংযোজনের কারণে বাজারমূল্যও প্রচলিত স্বর্ণমূল্যের চেয়ে অনেক বেশি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার আলোচিত জুটি বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উদয়পুরে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করেছেন। এই বিয়ের অন্যতম আকর্ষণ ছিল তাদের ঐতিহ্যবাহী ও ভারী স্বর্ণালঙ্কার, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছে।
বিয়ের গহনাগুলি তৈরি করা হয় দক্ষিণ ভারতের ঐতিহ্যবাহী “টেম্পল জুয়েলারী” স্টাইলে। রাশমিকাকে পরানো মোট ১১টি স্বর্ণালঙ্কার, যার মধ্যে চোকার, ঝুমকা, মাথাপট্টি, হাতফুল, নূপুরসহ নানা ডিজাইনার জুয়েলারি অন্তর্ভুক্ত ছিল। বিজয়কে পরানো গহনাগুলি রাজকীয় স্টাইলে ডিজাইন করা হয়েছিল। গহনা তৈরিতে প্রায় ১০ মাস সময় লেগেছে।
রাশমিকাকে পরানো গহনার ওজন প্রায় ১.৫–২ কেজি, আর বিজয়ের গহনাগুলোর ওজন প্রায় ০.৫ কেজি। এতে দম্পতির মোট স্বর্ণের ওজন আনুমানিক ৩ কেজি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এটি মিডিয়া অনুমানভিত্তিক, অফিসিয়াল ঘোষণা এখনও আসেনি।
গহনা কেবল মূল্যবান নয়, বরং এটি দক্ষিণ ভারতীয় ঐতিহ্য ও শিল্পের এক প্রতীক। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজাইন, নকশা ও রত্ন সংযোজনের কারণে বাজারমূল্যও প্রচলিত স্বর্ণমূল্যের চেয়ে অনেক বেশি।

আপনার মতামত লিখুন