শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই ভয়াবহ সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে আকাশ ও সমুদ্রপথে ইরানের ওপর এই ব্যাপক হামলা শুরু করার বিষয়টি রয়টার্স ও আল জাজিরার মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সামরিক অবকাঠামোকে সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া। হামলার তীব্রতা এতটাই বেশি যে তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলোতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে।
নিরাপত্তার খাতিরে ইরান তাদের আকাশসীমা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং একই পথ অনুসরণ করেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকও। ইরাকি পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার ভয়াবহতা বিবেচনায় তারা এরবিলসহ সব বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায়িত্ব স্বীকার করার পর পুরো অঞ্চলে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। তেহরানের বাসিন্দারা বিকট সব বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ায় তথ্য আদান-প্রদানও ব্যাহত হচ্ছে। সব মিলিয়ে এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন এক অনিশ্চিত ও চরম উত্তেজনাকর মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই ভয়াবহ সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে আকাশ ও সমুদ্রপথে ইরানের ওপর এই ব্যাপক হামলা শুরু করার বিষয়টি রয়টার্স ও আল জাজিরার মতো আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো নিশ্চিত করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সামরিক অবকাঠামোকে সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া। হামলার তীব্রতা এতটাই বেশি যে তেহরানসহ ইরানের প্রধান শহরগুলোতে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে এবং ফার্স নিউজ এজেন্সি রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বিস্ফোরণের খবর দিয়েছে।
নিরাপত্তার খাতিরে ইরান তাদের আকাশসীমা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং একই পথ অনুসরণ করেছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকও। ইরাকি পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার ভয়াবহতা বিবেচনায় তারা এরবিলসহ সব বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করেছে। এদিকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই হামলার দায়িত্ব স্বীকার করার পর পুরো অঞ্চলে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। তেহরানের বাসিন্দারা বিকট সব বিস্ফোরণের শব্দে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এবং ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়ায় তথ্য আদান-প্রদানও ব্যাহত হচ্ছে। সব মিলিয়ে এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এখন এক অনিশ্চিত ও চরম উত্তেজনাকর মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে।

আপনার মতামত লিখুন