যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার সঙ্গে সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রীয় ও আধা-রাষ্ট্রীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে ব্যাপক সাইবার আক্রমণ শুরু হয়েছে। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংস্থা যেমন আইআরএনএ (IRNA), আইএসএনএ (ISNA) সহ দেশের অন্যান্য মিডিয়া ওয়েবসাইট হ্যাক বা অ্যাক্সেসযোগ্যতা হারিয়েছে।
ইরানের দৈনিক হামশাহরি জানায়, সামরিক হামলার সঙ্গে সমন্বিত “ব্যাপক সাইবার অভিযান” চালানো হয়েছে, যার ফলে দেশটির ইন্টারনেট ও মোবাইল সংযোগ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। নেটব্লকস (NetBlocks) সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিকের মাত্র ৪% এ নেমে এসেছে। মোবাইল ফোন সেবাও প্রায় বন্ধ বা অত্যন্ত সীমিত। এই কারণে ঘটনার প্রকৃত চিত্র সংগ্রহ ও সংবাদ প্রচার করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সাইবার হামলার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি সামরিক অভিযানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে চালানো হয়েছে যাতে ইরানের সরকারি কার্যক্রম, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং তথ্য প্রচার ব্যাহত হয়।
ইরানের কর্তৃপক্ষ এখনো এই সাইবার আক্রমণ নিয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে দেশটির কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, সামরিক হামলার পাশাপাশি সাইবার আক্রমণও “কঠোর প্রতিক্রিয়ার” অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যুদ্ধবিরতি এবং কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার সঙ্গে সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রীয় ও আধা-রাষ্ট্রীয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে ব্যাপক সাইবার আক্রমণ শুরু হয়েছে। ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সংস্থা যেমন আইআরএনএ (IRNA), আইএসএনএ (ISNA) সহ দেশের অন্যান্য মিডিয়া ওয়েবসাইট হ্যাক বা অ্যাক্সেসযোগ্যতা হারিয়েছে।
ইরানের দৈনিক হামশাহরি জানায়, সামরিক হামলার সঙ্গে সমন্বিত “ব্যাপক সাইবার অভিযান” চালানো হয়েছে, যার ফলে দেশটির ইন্টারনেট ও মোবাইল সংযোগ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। নেটব্লকস (NetBlocks) সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ স্বাভাবিকের মাত্র ৪% এ নেমে এসেছে। মোবাইল ফোন সেবাও প্রায় বন্ধ বা অত্যন্ত সীমিত। এই কারণে ঘটনার প্রকৃত চিত্র সংগ্রহ ও সংবাদ প্রচার করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত সাইবার হামলার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি সামরিক অভিযানের সঙ্গে সমন্বিতভাবে চালানো হয়েছে যাতে ইরানের সরকারি কার্যক্রম, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং তথ্য প্রচার ব্যাহত হয়।
ইরানের কর্তৃপক্ষ এখনো এই সাইবার আক্রমণ নিয়ে বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে দেশটির কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, সামরিক হামলার পাশাপাশি সাইবার আক্রমণও “কঠোর প্রতিক্রিয়ার” অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যুদ্ধবিরতি এবং কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন