মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের ছায়া যুদ্ধ এখন সরাসরি ও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। আজ শনিবার সকালে তেহরানসহ ইরানের ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে পাল্টা বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরান। এর ফলে পুরো অঞ্চল এখন এক অনিয়ন্ত্রিত ও বিধ্বংসী মহাযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) এক জরুরি বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, ইরান থেকে নিক্ষেপ করা একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমায় শনাক্ত করা হয়েছে। এর পরপরই তেল আবিব, জেরুজালেমসহ ইসরায়েলের প্রধান শহরগুলোতে যুদ্ধের সাইরেন বাজানো হয়েছে। আইডিএফ সাধারণ জনগণকে দ্রুততম সময়ে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে বা বোমারু নিরোধক কক্ষে (Bunkers) অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমাদের বিমান বাহিনী হুমকি প্রতিহত করতে কাজ করছে, তবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শতভাগ নির্ভুল নাও হতে পারে। তাই নাগরিকদের জন্য হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা মেনে চলা বাধ্যতামূলক।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন থেকে জানানো হয়েছে, আজ ভোরে তেহরানের ‘ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট’ ও সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের কাছে হামলার ‘দাঁতভাঙা’ জবাব দিতেই এই প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু হয়েছে। তেহরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, তাদের পাল্টা আক্রমণ হবে ‘ভয়াবহ ও বিধ্বংসী’। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান কেবল তাদের প্রক্সি বা মিত্রদের ওপর নির্ভর না করে এবার সরাসরি নিজেদের ভূখণ্ড থেকে দীর্ঘপাল্লার ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে।
এদিকে, লেবানন ও সিরিয়া সীমান্ত থেকেও হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে রকেট হামলা শুরু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা ইসরায়েলকে রক্ষায় সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যেই ইরানে ‘বড় ধরনের যুদ্ধাভিযান’ শুরুর ঘোষণা দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে এর তীব্র প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের ছায়া যুদ্ধ এখন সরাসরি ও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। আজ শনিবার সকালে তেহরানসহ ইরানের ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানেই ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে পাল্টা বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে ইরান। এর ফলে পুরো অঞ্চল এখন এক অনিয়ন্ত্রিত ও বিধ্বংসী মহাযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (IDF) এক জরুরি বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে যে, ইরান থেকে নিক্ষেপ করা একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমায় শনাক্ত করা হয়েছে। এর পরপরই তেল আবিব, জেরুজালেমসহ ইসরায়েলের প্রধান শহরগুলোতে যুদ্ধের সাইরেন বাজানো হয়েছে। আইডিএফ সাধারণ জনগণকে দ্রুততম সময়ে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে বা বোমারু নিরোধক কক্ষে (Bunkers) অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমাদের বিমান বাহিনী হুমকি প্রতিহত করতে কাজ করছে, তবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শতভাগ নির্ভুল নাও হতে পারে। তাই নাগরিকদের জন্য হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা মেনে চলা বাধ্যতামূলক।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন থেকে জানানো হয়েছে, আজ ভোরে তেহরানের ‘ইউনিভার্সিটি স্ট্রিট’ ও সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয়ের কাছে হামলার ‘দাঁতভাঙা’ জবাব দিতেই এই প্রতিশোধমূলক অভিযান শুরু হয়েছে। তেহরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, তাদের পাল্টা আক্রমণ হবে ‘ভয়াবহ ও বিধ্বংসী’। সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান কেবল তাদের প্রক্সি বা মিত্রদের ওপর নির্ভর না করে এবার সরাসরি নিজেদের ভূখণ্ড থেকে দীর্ঘপাল্লার ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে।
এদিকে, লেবানন ও সিরিয়া সীমান্ত থেকেও হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে রকেট হামলা শুরু হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র সাফ জানিয়ে দিয়েছে তারা ইসরায়েলকে রক্ষায় সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যেই ইরানে ‘বড় ধরনের যুদ্ধাভিযান’ শুরুর ঘোষণা দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে এর তীব্র প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও সংঘাত থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন