ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের অন্তত ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর এর কঠোর ও ‘বিধ্বংসী’ জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই নজিরবিহীন হামলার পর এক ইরানি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তেহরানের পাল্টা আক্রমণ হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আজ ভোরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়সহ দেশটির সামরিক ও কৌশলগত অন্তত ৩০টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এই হামলার পরপরই ইরানের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে জানানো হয়, ইরান এই আগ্রাসনকে কোনোভাবেই মেনে নেবে না এবং যথাযথ সময়ে এর কড়া জবাব দেওয়া হবে।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, “আমরা আপনাদের চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিচ্ছি। আপনারা এমন একটি বিপজ্জনক পথে যাত্রা শুরু করেছেন, যার শেষ আর আপনাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।” তার এই বক্তব্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ইরান কেবল আত্মরক্ষা নয়, বরং ইসরায়েলের অভ্যন্তরে বড় ধরনের পাল্টা হামলার পরিকল্পনা করছে।
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে এবং শীর্ষ নেতৃত্বের কার্যালয়ের সন্নিকটে এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে এক নতুন ও ভয়াবহ মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে খামেনির কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলার বিষয়টি ইরানের জন্য চরম অবমাননাকর হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে হিজবুল্লাহ ও হুথিদের মতো ইরানপন্থি গোষ্ঠীগুলোও এই যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বড় ধরনের আঞ্চলিক মহাযুদ্ধের আশঙ্কা করছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশের অন্তত ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর এর কঠোর ও ‘বিধ্বংসী’ জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই নজিরবিহীন হামলার পর এক ইরানি কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তেহরানের পাল্টা আক্রমণ হবে অত্যন্ত ভয়াবহ।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আজ ভোরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কার্যালয়সহ দেশটির সামরিক ও কৌশলগত অন্তত ৩০টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এই হামলার পরপরই ইরানের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে জানানো হয়, ইরান এই আগ্রাসনকে কোনোভাবেই মেনে নেবে না এবং যথাযথ সময়ে এর কড়া জবাব দেওয়া হবে।
ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, “আমরা আপনাদের চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিচ্ছি। আপনারা এমন একটি বিপজ্জনক পথে যাত্রা শুরু করেছেন, যার শেষ আর আপনাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে না।” তার এই বক্তব্য থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ইরান কেবল আত্মরক্ষা নয়, বরং ইসরায়েলের অভ্যন্তরে বড় ধরনের পাল্টা হামলার পরিকল্পনা করছে।
সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তেহরানের কেন্দ্রস্থলে এবং শীর্ষ নেতৃত্বের কার্যালয়ের সন্নিকটে এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে এক নতুন ও ভয়াবহ মাত্রায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে খামেনির কার্যালয় লক্ষ্য করে হামলার বিষয়টি ইরানের জন্য চরম অবমাননাকর হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে হিজবুল্লাহ ও হুথিদের মতো ইরানপন্থি গোষ্ঠীগুলোও এই যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চরম যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বড় ধরনের আঞ্চলিক মহাযুদ্ধের আশঙ্কা করছে।

আপনার মতামত লিখুন