রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় চলমান চাঁদাবাজ, কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারি দমন অভিযানের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোহাম্মদপুর থানার কৃষি মার্কেট, জেনেভা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদপুর থানার ডিউটি অফিসার ফেরদৌস।
অন্যদিকে, আদাবর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ গত তিন দিনে মোহাম্মদপুর ও আদাবরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় শতাধিক সন্দেহভাজনকে আটক করেছে। অভিযানে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির কারণে আতঙ্ক বিরাজ করত। মোহাম্মদপুরের ব্যবসায়ী সুজন বলেন, “কয়েক সপ্তাহ আগে সন্ধ্যার পর দোকান খোলা রাখতে ভয় লাগত। এখন পুলিশি টহল বাড়ায় স্বস্তি পাচ্ছি।” আদাবরের বাসিন্দা রিয়াজুল বলেন, “গতকালকের অভিযান জনমনে স্বস্তি দিয়েছে। অভিযান যেন নিয়মিত থাকে, সেটা চাই।”
মোহাম্মদপুর টাউন হল এলাকার ব্যবসায়ী চান মিয়া জানান, “আগে চাঁদাবাজদের উৎপাত ছিল। এখন পুলিশ নিয়মিত টহল দিচ্ছে, ফলে ব্যবসা করতে স্বস্তি পাচ্ছি।” তেজগাঁও ডিসি ইবনে মিজান জানিয়েছেন, “অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের সহযোগিতায় মোহাম্মদপুরকে অপরাধমুক্ত রাখতে কাজ করছি।”
এদিকে, পুলিশের অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। স্থানীয়দেরও অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য জানাতে পুলিশকে সহযোগিতা করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত কয়েক দিনের অভিযানকালে মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্প ও কৃষি মার্কেট এলাকা থেকে মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইফতারের পর দুই শতাধিক পুলিশ সদস্য গভীর রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে মাদক জব্দ করেন।
অভিযানের পর নতুন আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, অপরাধী যেই হোক তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার ও তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজানসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় চলমান চাঁদাবাজ, কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারি দমন অভিযানের ফলে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। পুলিশ সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মোহাম্মদপুর থানার কৃষি মার্কেট, জেনেভা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদপুর থানার ডিউটি অফিসার ফেরদৌস।
অন্যদিকে, আদাবর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ গত তিন দিনে মোহাম্মদপুর ও আদাবরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় শতাধিক সন্দেহভাজনকে আটক করেছে। অভিযানে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আগে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির কারণে আতঙ্ক বিরাজ করত। মোহাম্মদপুরের ব্যবসায়ী সুজন বলেন, “কয়েক সপ্তাহ আগে সন্ধ্যার পর দোকান খোলা রাখতে ভয় লাগত। এখন পুলিশি টহল বাড়ায় স্বস্তি পাচ্ছি।” আদাবরের বাসিন্দা রিয়াজুল বলেন, “গতকালকের অভিযান জনমনে স্বস্তি দিয়েছে। অভিযান যেন নিয়মিত থাকে, সেটা চাই।”
মোহাম্মদপুর টাউন হল এলাকার ব্যবসায়ী চান মিয়া জানান, “আগে চাঁদাবাজদের উৎপাত ছিল। এখন পুলিশ নিয়মিত টহল দিচ্ছে, ফলে ব্যবসা করতে স্বস্তি পাচ্ছি।” তেজগাঁও ডিসি ইবনে মিজান জানিয়েছেন, “অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের সহযোগিতায় মোহাম্মদপুরকে অপরাধমুক্ত রাখতে কাজ করছি।”
এদিকে, পুলিশের অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হবে। স্থানীয়দেরও অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য জানাতে পুলিশকে সহযোগিতা করতে আহ্বান জানানো হয়েছে।
গত কয়েক দিনের অভিযানকালে মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্প ও কৃষি মার্কেট এলাকা থেকে মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যসহ সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ইফতারের পর দুই শতাধিক পুলিশ সদস্য গভীর রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে মাদক জব্দ করেন।
অভিযানের পর নতুন আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, অপরাধী যেই হোক তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ডিএমপি কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. সরওয়ার ও তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজানসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন