নবনির্বাচিত নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র জোহরান মামদানি বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সঙ্গে এক অঘোষিত বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে মেয়র মামদানির মূল আলোচ্য বিষয় ছিল নিউ ইয়র্ক সিটির দীর্ঘমেয়াদি আবাসন সংকট মোকাবিলা।
মেয়র মামদানি কুইন্সের সানিসাইড ইয়ার্ডে ১২ হাজার নতুন সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং ফেডারেল সরকারের কাছে ২১ বিলিয়ন ডলার অনুদান চান। তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গত ৫০ বছরের মধ্যে এটি শহরের সবচেয়ে বড় আবাসন ও অবকাঠামোগত বিনিয়োগ হবে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার ইউনিয়নভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বৈঠকে মেয়র মামদানির উপস্থাপিত একটি প্রতীকী সংবাদপত্রের পাতায় ‘ট্রাম্প টু সিটি: লেটস বিল্ড’ শিরোনাম ছিল, যা ১৯৭৫ সালের ‘ফোর্ড টু সিটি: ড্রপ ডেড’ শিরোনামের ইতিবাচক প্রতিরূপ।
এ ছাড়া মানবাধিকার ও অভিবাসনসংক্রান্ত বিষয়ও আলোচনায় আসে। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়–এর এক শিক্ষার্থীর আটকের বিষয়ে মেয়রের অনুরোধে ট্রাম্প দ্রুত মুক্তির আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে দুই নেতার মধ্যে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও নিউ ইয়র্কবাসীর স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এখন ফেডারেল বিনিয়োগের চূড়ান্ত অনুমোদনের দিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নবনির্বাচিত নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র জোহরান মামদানি বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–এর সঙ্গে এক অঘোষিত বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। বৈঠকে মেয়র মামদানির মূল আলোচ্য বিষয় ছিল নিউ ইয়র্ক সিটির দীর্ঘমেয়াদি আবাসন সংকট মোকাবিলা।
মেয়র মামদানি কুইন্সের সানিসাইড ইয়ার্ডে ১২ হাজার নতুন সাশ্রয়ী আবাসন নির্মাণের পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং ফেডারেল সরকারের কাছে ২১ বিলিয়ন ডলার অনুদান চান। তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে গত ৫০ বছরের মধ্যে এটি শহরের সবচেয়ে বড় আবাসন ও অবকাঠামোগত বিনিয়োগ হবে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার ইউনিয়নভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বৈঠকে মেয়র মামদানির উপস্থাপিত একটি প্রতীকী সংবাদপত্রের পাতায় ‘ট্রাম্প টু সিটি: লেটস বিল্ড’ শিরোনাম ছিল, যা ১৯৭৫ সালের ‘ফোর্ড টু সিটি: ড্রপ ডেড’ শিরোনামের ইতিবাচক প্রতিরূপ।
এ ছাড়া মানবাধিকার ও অভিবাসনসংক্রান্ত বিষয়ও আলোচনায় আসে। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়–এর এক শিক্ষার্থীর আটকের বিষয়ে মেয়রের অনুরোধে ট্রাম্প দ্রুত মুক্তির আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
প্রায় এক ঘণ্টার এই বৈঠকে দুই নেতার মধ্যে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও নিউ ইয়র্কবাসীর স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এখন ফেডারেল বিনিয়োগের চূড়ান্ত অনুমোদনের দিকেই নজর সংশ্লিষ্টদের।

আপনার মতামত লিখুন