পাক-আফগান সীমান্তের ডুরান্ড লাইনে অবস্থিত পাকিস্তানি সেনাচৌকিতে হামলার পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণার কথা জানিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির এই নতুন সামরিক অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’।
খাজা মুহম্মদ আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই ঘোষণা দেন।
তিনি তার বার্তায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পাকিস্তানের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে এবং এখন থেকে আফগানিস্তানের সঙ্গে কেবল যুদ্ধই হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী হিসেবে তাদের অবস্থান পাকিস্তান ভালোভাবেই জানে এবং পাকিস্তানের সেনাবাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে।
এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাকিস্তানের বিমান ও স্থলবাহিনী অভিযান শুরু করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শেহবাজ শরিফ–এর বিদেশি সংবাদমাধ্যমবিষয়ক মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এক্সে জানান, অভিযানের অংশ হিসেবে কাবুল, পাকতিয়া ও কান্দাহারে আফগান সামরিক বাহিনীর ২৭টি সেনাচৌকি ধ্বংস এবং ৯টি চৌকি দখলের দাবি করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।
তিনি আরও দাবি করেন, পাকিস্তান বিমান বাহিনীর বোমাবর্ষণে আফগান বাহিনীর দুটি হেডকোয়ার্টার, তিনটি ব্রিজ হেডকোয়ার্টার, দুটি গোলাবারুদের ডিপো, একটি লজিস্টিক ঘাঁটিসহ তিনটি ব্যাটালিয়ন ও দুটি সেক্টর হেডকোয়ার্টার ধ্বংস হয়েছে। পাশাপাশি ৮০টিরও বেশি ট্যাংক এবং বিপুল পরিমাণ আর্টিলারি ও সাঁজোয়া যান ধ্বংসের কথাও বলা হয়েছে।
গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের বিমান বাহিনী আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়ায় হামলা চালিয়ে ৮০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করলে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। সে সময় পাকিস্তান দাবি করেছিল নিহতরা নিষিদ্ধ গোষ্ঠী টিটিপির যোদ্ধা, তবে তালেবান সরকার জানায় তারা ছিল সাধারণ নাগরিক।
এর প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে আফগান বাহিনী ডুরান্ড লাইনে পাকিস্তানি চৌকিতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে কয়েকজন সেনাকে হত্যা ও অপহরণ করেছে বলে জানা যায়।
জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক বার্তায় জানান, তারা নাইট ভিশন ও লেজার নিয়ন্ত্রিত আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পাক-আফগান সীমান্তের ডুরান্ড লাইনে অবস্থিত পাকিস্তানি সেনাচৌকিতে হামলার পর আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণার কথা জানিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির এই নতুন সামরিক অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন গজব-লিল হক’।
খাজা মুহম্মদ আসিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এই ঘোষণা দেন।
তিনি তার বার্তায় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পাকিস্তানের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে এবং এখন থেকে আফগানিস্তানের সঙ্গে কেবল যুদ্ধই হবে। তিনি আরও বলেন, প্রতিবেশী হিসেবে তাদের অবস্থান পাকিস্তান ভালোভাবেই জানে এবং পাকিস্তানের সেনাবাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে।
এই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ পাকতিয়া ও কান্দাহার প্রদেশের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে পাকিস্তানের বিমান ও স্থলবাহিনী অভিযান শুরু করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শেহবাজ শরিফ–এর বিদেশি সংবাদমাধ্যমবিষয়ক মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোরে এক্সে জানান, অভিযানের অংশ হিসেবে কাবুল, পাকতিয়া ও কান্দাহারে আফগান সামরিক বাহিনীর ২৭টি সেনাচৌকি ধ্বংস এবং ৯টি চৌকি দখলের দাবি করেছে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী।
তিনি আরও দাবি করেন, পাকিস্তান বিমান বাহিনীর বোমাবর্ষণে আফগান বাহিনীর দুটি হেডকোয়ার্টার, তিনটি ব্রিজ হেডকোয়ার্টার, দুটি গোলাবারুদের ডিপো, একটি লজিস্টিক ঘাঁটিসহ তিনটি ব্যাটালিয়ন ও দুটি সেক্টর হেডকোয়ার্টার ধ্বংস হয়েছে। পাশাপাশি ৮০টিরও বেশি ট্যাংক এবং বিপুল পরিমাণ আর্টিলারি ও সাঁজোয়া যান ধ্বংসের কথাও বলা হয়েছে।
গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের বিমান বাহিনী আফগানিস্তানের নানগারহার ও পাকতিয়ায় হামলা চালিয়ে ৮০ জনের বেশি মানুষকে হত্যা করলে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। সে সময় পাকিস্তান দাবি করেছিল নিহতরা নিষিদ্ধ গোষ্ঠী টিটিপির যোদ্ধা, তবে তালেবান সরকার জানায় তারা ছিল সাধারণ নাগরিক।
এর প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে আফগান বাহিনী ডুরান্ড লাইনে পাকিস্তানি চৌকিতে অতর্কিত হামলা চালিয়ে কয়েকজন সেনাকে হত্যা ও অপহরণ করেছে বলে জানা যায়।
জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক বার্তায় জানান, তারা নাইট ভিশন ও লেজার নিয়ন্ত্রিত আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন