পঞ্চগড়ের করতোয়া নদীতে নদীভাঙন রোধে ৩১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্লক স্থাপন করে তীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় দেবীগঞ্জ পৌর শহরের করতোয়া নদীর ডিসি পার্ক থেকে ময়নামতি চর সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এই তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পঞ্চগড়ে বিভিন্ন স্থানে নদী ভেঙে অনেক বাড়ি ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব এলাকা রক্ষায় নদীর তীরে ব্লক স্থাপন করে টেকসই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২৫ কিলোমিটার নদী খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন কমবে এবং কৃষিক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর খাল খননের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নদী ও খাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে কাজ করছে।
ময়নামতি চরকে সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। নদীভাঙন থেকে চরাঞ্চল রক্ষা এবং পর্যটকদের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জানান, আগামী জুনের মধ্যেই প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড উত্তরাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী ড. মোহা. সরফরাজ বান্দা, পঞ্চগড় জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আশুতোষ বর্মন, ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধক প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল চন্দ্র সরকার, দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, মো. তোবারক হ্যাপী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, বিএনপি নেতাকর্মী এবং স্থানীয় জনগণ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পঞ্চগড়ের করতোয়া নদীতে নদীভাঙন রোধে ৩১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ব্লক স্থাপন করে তীর প্রতিরক্ষা কাজ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় দেবীগঞ্জ পৌর শহরের করতোয়া নদীর ডিসি পার্ক থেকে ময়নামতি চর সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এই তথ্য জানান। প্রতিমন্ত্রী বলেন, পঞ্চগড়ে বিভিন্ন স্থানে নদী ভেঙে অনেক বাড়ি ও কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব এলাকা রক্ষায় নদীর তীরে ব্লক স্থাপন করে টেকসই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ২৫ কিলোমিটার নদী খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙন কমবে এবং কৃষিক্ষেত্রে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর খাল খননের উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার নদী ও খাল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে কাজ করছে।
ময়নামতি চরকে সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। নদীভাঙন থেকে চরাঞ্চল রক্ষা এবং পর্যটকদের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি জানান, আগামী জুনের মধ্যেই প্রকল্পের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পানি উন্নয়ন বোর্ড উত্তরাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী ড. মোহা. সরফরাজ বান্দা, পঞ্চগড় জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আশুতোষ বর্মন, ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধক প্রকৌশলী কৃষ্ণ কমল চন্দ্র সরকার, দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, মো. তোবারক হ্যাপী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, বিএনপি নেতাকর্মী এবং স্থানীয় জনগণ।

আপনার মতামত লিখুন