দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিজ জন্মভূমি পার্বত্য চট্টগ্রামে ফেরার পথে ঢাকায় পৌঁছেছেন পার্বত্য রাজনীতির পরিচিত মুখ মন্ত্রী দিপেন দেওয়ান। তাঁর আগমনকে ঘিরে পার্বত্য চট্টগ্রামের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক আগ্রহ ও আবেগ।
বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। ব্যানার, ফেস্টুন ও ফুলের মালা নিয়ে তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত হন।
এ সময় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অগ্রভাগে ছিলেন বান্দরবান জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর সদস্য সচিব জাবেদ রেজা। তাঁর নেতৃত্বে বান্দরবান জেলা বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে দিপেন দেওয়ানকে শুভেচ্ছা জানায়। দিপেন দেওয়ান এ সময় উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার অভাব অনুভব করছিল। দিপেন দেওয়ানের প্রত্যাবর্তনকে অনেকে পাহাড়ি অঞ্চলের রাজনৈতিক সক্রিয়তা ও উন্নয়ন প্রত্যাশার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।
নেতাকর্মীরা জানান, দিপেন দেওয়ানের নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, শান্তি ও শৃঙ্খলা আরও জোরদার হবে বলে তারা আশা করছেন। একই সঙ্গে তরুণ নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্বকারী জাবেদ রেজার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিকার, উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দিপেন দেওয়ান আগের মতোই সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিজ জন্মভূমি পার্বত্য চট্টগ্রামে ফেরার পথে ঢাকায় পৌঁছেছেন পার্বত্য রাজনীতির পরিচিত মুখ মন্ত্রী দিপেন দেওয়ান। তাঁর আগমনকে ঘিরে পার্বত্য চট্টগ্রামের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে দেখা গেছে ব্যাপক আগ্রহ ও আবেগ।
বুধবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বিভিন্ন জেলা থেকে আসা নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। ব্যানার, ফেস্টুন ও ফুলের মালা নিয়ে তারা বিমানবন্দরে উপস্থিত হন।
এ সময় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অগ্রভাগে ছিলেন বান্দরবান জেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর সদস্য সচিব জাবেদ রেজা। তাঁর নেতৃত্বে বান্দরবান জেলা বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে দিপেন দেওয়ানকে শুভেচ্ছা জানায়। দিপেন দেওয়ান এ সময় উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
দলীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার অভাব অনুভব করছিল। দিপেন দেওয়ানের প্রত্যাবর্তনকে অনেকে পাহাড়ি অঞ্চলের রাজনৈতিক সক্রিয়তা ও উন্নয়ন প্রত্যাশার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।
নেতাকর্মীরা জানান, দিপেন দেওয়ানের নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, শান্তি ও শৃঙ্খলা আরও জোরদার হবে বলে তারা আশা করছেন। একই সঙ্গে তরুণ নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্বকারী জাবেদ রেজার সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামো খাতে উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার হবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।
পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিকার, উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দিপেন দেওয়ান আগের মতোই সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।

আপনার মতামত লিখুন