সিংড়া উপজেলার একটি হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১২ বছরের বিচার প্রক্রিয়ার পর আজ আদালত দুই আসামিকে জাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে। রায় ঘোষণা করেছেন নাটোর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. দেলোয়ার হোসেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর আব্দুল কাহার নামে এক কিশোর বাড়ির কাছে একটি পুকুরপাড়ে নিহত অবস্থায় উদ্ধার হন। অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে মাসুদ রানা (৩৭) এবং মিজানুর রহমান মিন্টু (৩৫) হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন। নিহতের পিতা আব্দুর রশিদ পরে মামলা দায়ের করেন সিংড়া থানায়।
আদালতের রায়ে প্রত্যেক আসামিকে জাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা না পরিশোধ করলে প্রত্যেককে অতিরিক্ত তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, আগের হাজতবাসের সময়কাল বিবেচনা করে মূল সাজা থেকে সেই সময় বিয়োগ করা হবে।
স্থানীয়রা এবং নিহতের পরিবার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই রায় সামাজিক শান্তি বজায় রাখা এবং আইনের প্রতি সম্মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই হত্যা মামলা দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত ছিল। আজকের রায়ে পুনরায় প্রমাণিত হলো, দীর্ঘ সময়ের পরও বিচার কার্যক্রম শেষপর্যন্ত কার্যকরভাবে সম্পন্ন হতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিংড়া উপজেলার একটি হত্যা মামলায় দীর্ঘ ১২ বছরের বিচার প্রক্রিয়ার পর আজ আদালত দুই আসামিকে জাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে। রায় ঘোষণা করেছেন নাটোর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. দেলোয়ার হোসেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর আব্দুল কাহার নামে এক কিশোর বাড়ির কাছে একটি পুকুরপাড়ে নিহত অবস্থায় উদ্ধার হন। অভিযোগ অনুযায়ী, ব্যক্তিগত শত্রুতার জের ধরে মাসুদ রানা (৩৭) এবং মিজানুর রহমান মিন্টু (৩৫) হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেন। নিহতের পিতা আব্দুর রশিদ পরে মামলা দায়ের করেন সিংড়া থানায়।
আদালতের রায়ে প্রত্যেক আসামিকে জাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা না পরিশোধ করলে প্রত্যেককে অতিরিক্ত তিন বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, আগের হাজতবাসের সময়কাল বিবেচনা করে মূল সাজা থেকে সেই সময় বিয়োগ করা হবে।
স্থানীয়রা এবং নিহতের পরিবার রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, এই রায় সামাজিক শান্তি বজায় রাখা এবং আইনের প্রতি সম্মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই হত্যা মামলা দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত ছিল। আজকের রায়ে পুনরায় প্রমাণিত হলো, দীর্ঘ সময়ের পরও বিচার কার্যক্রম শেষপর্যন্ত কার্যকরভাবে সম্পন্ন হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন