দেশজুড়ে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে কিছু পুলিশ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রভাবশালী মহলের দ্বারা সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠে আসছে, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য মারাত্মক হুমকি।
সাংবাদিক সমাজ মনে করে, দায়িত্ব পালনকালে কোনো সাংবাদিকের ওপর হাত তোলা বা ভয় দেখানো শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ নয়—এটি সংবিধান স্বীকৃত সংবাদপেশার ওপর সরাসরি আঘাত। তাই এ ধরনের ঘটনায় শুধুমাত্র ক্লোজড নয়, বরং তাৎক্ষণিক বিভাগীয় ব্যবস্থা, চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত, প্রয়োজন হলে চাকরিচ্যুতি এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
এ দাবিটি শুধু পুলিশের ক্ষেত্রেই নয়- সাধারণ মানুষ, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, ফ্যাসিলিটেটর বা যেকোনো শ্রেণি-পেশার ব্যক্তির ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। যারা সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেয়, হুমকি দেয় বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সাংবাদিকদের দাবি, এ ধরনের অপরাধের জন্য কঠোর আর্থিক জরিমানা (কমপক্ষে দুই লাখ টাকা) এবং মামলা নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি কমবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পষ্ট নির্দেশনা ও মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা।
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করা মানে জনগণের জানার অধিকার হরণ করা। তাই অবিলম্বে সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশজুড়ে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও তথ্য সংগ্রহে বাধা দেওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে কিছু পুলিশ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা এবং প্রভাবশালী মহলের দ্বারা সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠে আসছে, যা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য মারাত্মক হুমকি।
সাংবাদিক সমাজ মনে করে, দায়িত্ব পালনকালে কোনো সাংবাদিকের ওপর হাত তোলা বা ভয় দেখানো শুধু ব্যক্তিগত অপরাধ নয়—এটি সংবিধান স্বীকৃত সংবাদপেশার ওপর সরাসরি আঘাত। তাই এ ধরনের ঘটনায় শুধুমাত্র ক্লোজড নয়, বরং তাৎক্ষণিক বিভাগীয় ব্যবস্থা, চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত, প্রয়োজন হলে চাকরিচ্যুতি এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।
এ দাবিটি শুধু পুলিশের ক্ষেত্রেই নয়- সাধারণ মানুষ, জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, ফ্যাসিলিটেটর বা যেকোনো শ্রেণি-পেশার ব্যক্তির ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। যারা সাংবাদিকদের তথ্য সংগ্রহে বাধা দেয়, হুমকি দেয় বা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সাংবাদিকদের দাবি, এ ধরনের অপরাধের জন্য কঠোর আর্থিক জরিমানা (কমপক্ষে দুই লাখ টাকা) এবং মামলা নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি কমবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পষ্ট নির্দেশনা ও মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা।
গণমাধ্যম রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। সাংবাদিকদের কণ্ঠ রোধ করা মানে জনগণের জানার অধিকার হরণ করা। তাই অবিলম্বে সাংবাদিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা নীতি বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন