কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল জামিন পাওয়ার পর বলেছেন, “ভুল হয়েছে, আবারও হতে পারে।” মঙ্গলবার তিনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ শুনানি শেষে আপসের শর্তে জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিন পেয়ে নোবেল বলেন, “আমার দর্শক-শ্রোতারা আমাকে ভালোভাবে বোঝে, আমি হালকা পাগলা পাগলা আছি। তারা আমাকে ক্ষমা করবে। মানুষ মাত্রই ভুল করে। আমারও ভুল হয়েছে। আবারও হতে পারে।”
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি নোবেলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে একই আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। অন্য অভিযুক্তরা হলেন নোবেলের মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, সহকারী মুনেম শাহ সৌমিক এবং পরিচিত মাসুদ রানা। আদালতের নির্দেশে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
অভিযোগ অনুযায়ী, এক তরুণীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নিজস্ব স্টুডিওতে একদিন আটক রাখেন নোবেল। এ সময় জোর করে ওই তরুণীকে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়।
ভুক্তভোগী তরুণী ২৬ সালের ১৩ আগস্ট আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব নেয়। ২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের এসআই নুরুজ্জামান আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। একই দিনে আদালত নোবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে এবং ডেমরা থানা পুলিশকে আসামিদের আইনের আওতায় হাজির করার নির্দেশ দেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেল জামিন পাওয়ার পর বলেছেন, “ভুল হয়েছে, আবারও হতে পারে।” মঙ্গলবার তিনি বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ শুনানি শেষে আপসের শর্তে জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিন পেয়ে নোবেল বলেন, “আমার দর্শক-শ্রোতারা আমাকে ভালোভাবে বোঝে, আমি হালকা পাগলা পাগলা আছি। তারা আমাকে ক্ষমা করবে। মানুষ মাত্রই ভুল করে। আমারও ভুল হয়েছে। আবারও হতে পারে।”
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি নোবেলসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে একই আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। অন্য অভিযুক্তরা হলেন নোবেলের মা নাজমা হোসেন, স্ত্রী ইসরাত জাহান প্রিয়া, সহকারী মুনেম শাহ সৌমিক এবং পরিচিত মাসুদ রানা। আদালতের নির্দেশে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বটতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
অভিযোগ অনুযায়ী, এক তরুণীকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে নিজস্ব স্টুডিওতে একদিন আটক রাখেন নোবেল। এ সময় জোর করে ওই তরুণীকে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়।
ভুক্তভোগী তরুণী ২৬ সালের ১৩ আগস্ট আদালতে মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব নেয়। ২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিবিআইয়ের এসআই নুরুজ্জামান আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। একই দিনে আদালত নোবেলসহ চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে এবং ডেমরা থানা পুলিশকে আসামিদের আইনের আওতায় হাজির করার নির্দেশ দেন।

আপনার মতামত লিখুন