জাতীয় ফুটবলাররা জাতীয় দলে খেললেও ফেডারেশনের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে পুরুষ ফুটবলাররা অনেক ক্ষেত্রে নগন্য সম্মানী পান। বাফুফের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় দলের ক্যাম্পে প্রতিটি ফুটবলারের প্রাপ্তি মাত্র ২০-২৫ হাজার টাকা, যা তুলনামূলকভাবে খুবই কম।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ক্রীড়াবিদদের বেতনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল বিভিন্ন ফেডারেশনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন এবং আজ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে বিশেষ বৈঠকেও একই অবস্থান আরও দৃঢ়ভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন।
বাফুফে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘মেয়েদের ফুটবলাররা ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করছে, যা প্রশংসনীয়। তাদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি পুরুষ ফুটবলারদেরও প্রণোদনার আওতায় আনা হবে। পুরুষ ও নারী উভয় দলের ফুটবলারদের মাসিক ভিত্তিতে সরকারি চুক্তির আওতায় এনে একটি স্থায়ী বেতন কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’’
নারী ফুটবলাররা ইতিমধ্যেই বাফুফের মাসিক বেতনের আওতায় রয়েছেন। মাঝে মাঝে অনিয়মিত হওয়ায় নেতিবাচক শিরোনাম তৈরি হলেও সরকারের উদ্যোগে পুরুষ ফুটবলাররাও এখন বেতনের আওতায় আসছেন।
ফুটবলে অবকাঠামো সংকট দূর করতে পাশে দাঁড়িয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘‘ফিফার অনুদানের আওতায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কয়েকটি মাঠ ব্যবহারের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে। আলোচনা শেষে তিনটি মাঠ—কমলাপুর স্টেডিয়াম, সিলেট স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম—চুক্তির মাধ্যমে ফেডারেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’’
বয়সভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট চালু করতে একটি ক্যালেন্ডারও তৈরি করা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘জেলা পর্যায়ে লিগ স্থায়ী করতে এবং আন্তঃজেলা টুর্নামেন্ট সম্প্রসারণে আমাদের পরিকল্পনা আছে। আমরা ফুটবলকে এগিয়ে নিতে একটি বাৎসরিক ক্যালেন্ডার তৈরি করে বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টগুলো আয়োজন করব।’’
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব উল আলমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। আগামীকাল বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় ফুটবলাররা জাতীয় দলে খেললেও ফেডারেশনের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে পুরুষ ফুটবলাররা অনেক ক্ষেত্রে নগন্য সম্মানী পান। বাফুফের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় দলের ক্যাম্পে প্রতিটি ফুটবলারের প্রাপ্তি মাত্র ২০-২৫ হাজার টাকা, যা তুলনামূলকভাবে খুবই কম।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ক্রীড়াবিদদের বেতনের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন। গতকাল বিভিন্ন ফেডারেশনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেন এবং আজ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে বিশেষ বৈঠকেও একই অবস্থান আরও দৃঢ়ভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন।
বাফুফে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘মেয়েদের ফুটবলাররা ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করছে, যা প্রশংসনীয়। তাদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি পুরুষ ফুটবলারদেরও প্রণোদনার আওতায় আনা হবে। পুরুষ ও নারী উভয় দলের ফুটবলারদের মাসিক ভিত্তিতে সরকারি চুক্তির আওতায় এনে একটি স্থায়ী বেতন কাঠামোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’’
নারী ফুটবলাররা ইতিমধ্যেই বাফুফের মাসিক বেতনের আওতায় রয়েছেন। মাঝে মাঝে অনিয়মিত হওয়ায় নেতিবাচক শিরোনাম তৈরি হলেও সরকারের উদ্যোগে পুরুষ ফুটবলাররাও এখন বেতনের আওতায় আসছেন।
ফুটবলে অবকাঠামো সংকট দূর করতে পাশে দাঁড়িয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জানান, ‘‘ফিফার অনুদানের আওতায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কয়েকটি মাঠ ব্যবহারের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করেছে। আলোচনা শেষে তিনটি মাঠ—কমলাপুর স্টেডিয়াম, সিলেট স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রাম স্টেডিয়াম—চুক্তির মাধ্যমে ফেডারেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে। খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।’’
বয়সভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট চালু করতে একটি ক্যালেন্ডারও তৈরি করা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘‘জেলা পর্যায়ে লিগ স্থায়ী করতে এবং আন্তঃজেলা টুর্নামেন্ট সম্প্রসারণে আমাদের পরিকল্পনা আছে। আমরা ফুটবলকে এগিয়ে নিতে একটি বাৎসরিক ক্যালেন্ডার তৈরি করে বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টগুলো আয়োজন করব।’’
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব উল আলমসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। আগামীকাল বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন