চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৩ নং দক্ষিণ আলগী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড মধ্য চরভাঙ্গা নিবাসী মোঃ নজরুল ইসলাম গাজী (৪৬) হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। রবিবার বিকেল আনুমানিক ৫:৪০ মিনিটে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
মরহুম দীর্ঘদিন ধরে ২৯ নং চরশোলদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। শিক্ষা বিস্তার এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক উন্নয়নে তার অবদান প্রশংসনীয়। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে তার নেতৃত্বে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
মৃত্যুকালে তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তার জানাজার নামাজ আগামীকাল সকাল ১০টায় নিজ বাড়ির সামনে ৩৪ নং সিপাইকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ-এ অনুষ্ঠিত হবে।
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, সহকর্মী শিক্ষকবৃন্দ ও স্থানীয়রা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসী মনে করেন, তার শূন্যতা শিক্ষা অঙ্গনে দীর্ঘদিন অনুভূত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৩ নং দক্ষিণ আলগী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড মধ্য চরভাঙ্গা নিবাসী মোঃ নজরুল ইসলাম গাজী (৪৬) হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। রবিবার বিকেল আনুমানিক ৫:৪০ মিনিটে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
মরহুম দীর্ঘদিন ধরে ২৯ নং চরশোলদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি একজন সৎ, দায়িত্বশীল ও ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি হিসেবে এলাকায় পরিচিত ছিলেন। শিক্ষা বিস্তার এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক উন্নয়নে তার অবদান প্রশংসনীয়। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে তার নেতৃত্বে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।
মৃত্যুকালে তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তার জানাজার নামাজ আগামীকাল সকাল ১০টায় নিজ বাড়ির সামনে ৩৪ নং সিপাইকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ-এ অনুষ্ঠিত হবে।
এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, সহকর্মী শিক্ষকবৃন্দ ও স্থানীয়রা মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। এলাকাবাসী মনে করেন, তার শূন্যতা শিক্ষা অঙ্গনে দীর্ঘদিন অনুভূত হবে।

আপনার মতামত লিখুন