উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন আবারও দেশটির ক্ষমতাসীন কোরিয়ান ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) পার্টি কংগ্রেসের চতুর্থ দিনের বৈঠকে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল কেআরটি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সাল থেকে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত দলীয় কংগ্রেসে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হয়। ৪২ বছর বয়সী কিম তার শাসনামলজুড়ে দলের শীর্ষ পদে বহাল রয়েছেন। ২০১৬ সালে তার পদবি 'প্রথম সচিব' থেকে 'চেয়ারম্যান' এ রূপান্তরিত হয় এবং ২০২১ সালের দলীয় কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত হন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারের কংগ্রেসে কিম নতুন সামরিক লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করতে পারেন। এর মধ্যে প্রচলিত সামরিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা, তাদের পারমাণবিক সক্ষমতার সঙ্গে সমন্বিত করা এবং অর্থনৈতিক 'আত্মনির্ভরতা' আরও জোরদার করার পরিকল্পনা থাকতে পারে। মহামারি-পরবর্তী সময়ে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছে এবং রাশিয়ায় অস্ত্র রপ্তানিও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন।
দলীয় এই সম্মেলন থেকে আবাসন নির্মাণ থেকে শুরু করে যুদ্ধকৌশল পর্যন্ত সব বিষয়ে রাষ্ট্রীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়ে থাকে বলে জানা গেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন আবারও দেশটির ক্ষমতাসীন কোরিয়ান ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) পার্টি কংগ্রেসের চতুর্থ দিনের বৈঠকে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল কেআরটি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সাল থেকে প্রতি পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত দলীয় কংগ্রেসে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হয়। ৪২ বছর বয়সী কিম তার শাসনামলজুড়ে দলের শীর্ষ পদে বহাল রয়েছেন। ২০১৬ সালে তার পদবি 'প্রথম সচিব' থেকে 'চেয়ারম্যান' এ রূপান্তরিত হয় এবং ২০২১ সালের দলীয় কাউন্সিলে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত হন।
বিশ্লেষকদের ধারণা, এবারের কংগ্রেসে কিম নতুন সামরিক লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করতে পারেন। এর মধ্যে প্রচলিত সামরিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করা, তাদের পারমাণবিক সক্ষমতার সঙ্গে সমন্বিত করা এবং অর্থনৈতিক 'আত্মনির্ভরতা' আরও জোরদার করার পরিকল্পনা থাকতে পারে। মহামারি-পরবর্তী সময়ে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার হচ্ছে এবং রাশিয়ায় অস্ত্র রপ্তানিও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন।
দলীয় এই সম্মেলন থেকে আবাসন নির্মাণ থেকে শুরু করে যুদ্ধকৌশল পর্যন্ত সব বিষয়ে রাষ্ট্রীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়ে থাকে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন