আজ সোমবার, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তার দায়িত্ব থেকে অপসারণের একদিন পর ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হন। সরকারের একটি গেজেট নোটিফিকেশন অনুযায়ী তাজুল ইসলামের চিফ প্রসিকিউটরের পদ বাতিল করা হয়েছে এবং তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে অ্যাডভোকেট মোঃ আমিনুল ইসলামকে নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা আজই কার্যকর হয়েছে।
এর ফলে তাজুল ইসলাম, যিনি সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন, কোর্ট‑এর মামলার তদারকি ও প্রসিকিউশন কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন, সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। তার অপসারণটি গত শনিবারের সরকারি সিদ্ধান্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং আজ সে বিষয়ে তিনি নিজেই মিডিয়ার সামনে আসেন।
সাংবাদিকদের সামনে কথা বলতে গিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালে কাজ করা কঠিন দায়িত্ব ছিল এবং তিনি আশা করেন তাঁর দায়িত্ব নেয়ার পর যেসব মামলার কাজ ও তদন্ত অসম্পূর্ণ ছিল, তা নতুন প্রধান প্রসিকিউটর তা সম্পন্ন করবেন। তিনি বলেন, “প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ব্যক্তি নয়” এবং তিনি তাঁর সহকর্মী প্রসিকিউশন টিমের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন।
নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই বদলির তথ্য জানায় এবং নতুন নিয়োগে মোঃ আমিনুল ইসলামকে সেই একই মর্যাদা ও সুবিধাসহ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যেটি চিফ প্রসিকিউটরকে থাকে, যার মধ্যে স্যালারি এবং অন্যান্য সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এ পরিস্থিতি দেশে বিচার কার্যক্রম এবং ট্রাইব্যুনালের ভবিষ্যত পরিচালনা নিয়ে একটি নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করেছে, বিশেষ করে যেহেতু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑এর কার্যক্রম বিভিন্ন যুদ্ধে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাসহ রাজনৈতিক ও সংবেদনশীল মামলায় মামলা পরিচালনা করে থাকে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আজ সোমবার, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম তার দায়িত্ব থেকে অপসারণের একদিন পর ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হন। সরকারের একটি গেজেট নোটিফিকেশন অনুযায়ী তাজুল ইসলামের চিফ প্রসিকিউটরের পদ বাতিল করা হয়েছে এবং তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে অ্যাডভোকেট মোঃ আমিনুল ইসলামকে নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা আজই কার্যকর হয়েছে।
এর ফলে তাজুল ইসলাম, যিনি সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন, কোর্ট‑এর মামলার তদারকি ও প্রসিকিউশন কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন, সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছিলেন। তার অপসারণটি গত শনিবারের সরকারি সিদ্ধান্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং আজ সে বিষয়ে তিনি নিজেই মিডিয়ার সামনে আসেন।
সাংবাদিকদের সামনে কথা বলতে গিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালে কাজ করা কঠিন দায়িত্ব ছিল এবং তিনি আশা করেন তাঁর দায়িত্ব নেয়ার পর যেসব মামলার কাজ ও তদন্ত অসম্পূর্ণ ছিল, তা নতুন প্রধান প্রসিকিউটর তা সম্পন্ন করবেন। তিনি বলেন, “প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ব্যক্তি নয়” এবং তিনি তাঁর সহকর্মী প্রসিকিউশন টিমের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করেছেন।
নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই বদলির তথ্য জানায় এবং নতুন নিয়োগে মোঃ আমিনুল ইসলামকে সেই একই মর্যাদা ও সুবিধাসহ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যেটি চিফ প্রসিকিউটরকে থাকে, যার মধ্যে স্যালারি এবং অন্যান্য সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
এ পরিস্থিতি দেশে বিচার কার্যক্রম এবং ট্রাইব্যুনালের ভবিষ্যত পরিচালনা নিয়ে একটি নতুন বিতর্কের সূত্রপাত করেছে, বিশেষ করে যেহেতু আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑এর কার্যক্রম বিভিন্ন যুদ্ধে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাসহ রাজনৈতিক ও সংবেদনশীল মামলায় মামলা পরিচালনা করে থাকে।

আপনার মতামত লিখুন