নারী উদ্যোক্তা ও ইনফ্লুয়েন্সার রোবাইয়াত ফাতিমা তনি জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তনি জানান, ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ নামের সংগঠন জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি প্রেরণ করেছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিটি পাঠ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংগঠনটির আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিল, আর সদস্য সচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি।
তনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং দলের শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন সময় উল্লেখ করেছেন যে কোনো নারী দলীয় প্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান, রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি বা কোনো সংস্থার প্রধান হতে পারবেন না। এটি জামায়াতের ঘোষিত নীতিও।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের এই অবস্থান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ ও ২৮-এর সরাসরি লঙ্ঘন। রাজনীতি সম্পর্কিত রুলস অনুযায়ী, কোনো দল যদি লিঙ্গ সমতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে সেই রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য।
রোবাইয়াত ফাতিমা তনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীদের অংশগ্রহণের অধিকার কেড়ে নেওয়া একটি চরম অসাংবিধানিক নীতি। তিনি আরও বলেন, নারীর সম্মান ও সাংবিধানিক অধিকার কোনো রাজনৈতিক আপোষের বিষয় হতে পারে না।
সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া অবমাননাকর বক্তব্যের জন্য ডা. শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া এবং তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমতা চাইতে বাধ্য করা জরুরি। একইসঙ্গে নারীর প্রতি বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর আইনগত অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নারী উদ্যোক্তা ও ইনফ্লুয়েন্সার রোবাইয়াত ফাতিমা তনি জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন।
শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে তনি জানান, ‘সচেতন নাগরিক সমাজ’ নামের সংগঠন জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি প্রেরণ করেছে। সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো চিঠিটি পাঠ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সংগঠনটির আহ্বায়ক নীলা ইসরাফিল, আর সদস্য সচিব রোবাইয়াত ফাতিমা তনি।
তনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং দলের শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন সময় উল্লেখ করেছেন যে কোনো নারী দলীয় প্রধান, রাষ্ট্রপ্রধান, রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি বা কোনো সংস্থার প্রধান হতে পারবেন না। এটি জামায়াতের ঘোষিত নীতিও।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের এই অবস্থান সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭ ও ২৮-এর সরাসরি লঙ্ঘন। রাজনীতি সম্পর্কিত রুলস অনুযায়ী, কোনো দল যদি লিঙ্গ সমতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তবে সেই রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলযোগ্য।
রোবাইয়াত ফাতিমা তনি উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় নারীদের অংশগ্রহণের অধিকার কেড়ে নেওয়া একটি চরম অসাংবিধানিক নীতি। তিনি আরও বলেন, নারীর সম্মান ও সাংবিধানিক অধিকার কোনো রাজনৈতিক আপোষের বিষয় হতে পারে না।
সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিলের বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া অবমাননাকর বক্তব্যের জন্য ডা. শফিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া এবং তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমতা চাইতে বাধ্য করা জরুরি। একইসঙ্গে নারীর প্রতি বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর আইনগত অবস্থান গ্রহণ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন