শিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকার চাইছে শিক্ষা খাতকে পুরোপুরি স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক করা হোক। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ে কাউকেই দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না এবং সকল দপ্তরকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের দুর্নীতি হবে না এবং শিক্ষকদের দাবিদাওয়া নিয়ে বারবার মন্ত্রণালয়ে আসার প্রয়োজন নেই। সব কিছু নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হবে যাতে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হয়।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই নীতিকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির কোনো সুযোগই দেওয়া হবে না। প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা হবে এবং শূন্য সহনশীলতার নীতি কার্যকর থাকবে।
এই মন্তব্যগুলো এসেছে ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে ও সভায়। এর মধ্যে রয়েছে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনাসভা এবং সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভা।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষা খাতকে শতভাগ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে দুর্নীতি ও অন্যায় আচরণ প্রতিরোধে জোর দিচ্ছেন। এছাড়াও শিক্ষা ব্যবস্থাকে মাদক, নকল এবং অশোভন আচরণ থেকে মুক্ত রাখা তাদের উদ্দেশ্যের মধ্যে অন্যতম।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ শিক্ষাখাতের সুশাসন ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার দিকে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষাব্যবস্থা আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, সরকার চাইছে শিক্ষা খাতকে পুরোপুরি স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক করা হোক। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ে কাউকেই দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না এবং সকল দপ্তরকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করতে হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ে কোনো ধরনের দুর্নীতি হবে না এবং শিক্ষকদের দাবিদাওয়া নিয়ে বারবার মন্ত্রণালয়ে আসার প্রয়োজন নেই। সব কিছু নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত হবে যাতে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হয়।
শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এই নীতিকে সমর্থন করেছেন। তিনি বলেছেন, আগামী পাঁচ বছরের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির কোনো সুযোগই দেওয়া হবে না। প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা হবে এবং শূন্য সহনশীলতার নীতি কার্যকর থাকবে।
এই মন্তব্যগুলো এসেছে ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে ও সভায়। এর মধ্যে রয়েছে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনাসভা এবং সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মতবিনিময় সভা।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষা খাতকে শতভাগ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে দুর্নীতি ও অন্যায় আচরণ প্রতিরোধে জোর দিচ্ছেন। এছাড়াও শিক্ষা ব্যবস্থাকে মাদক, নকল এবং অশোভন আচরণ থেকে মুক্ত রাখা তাদের উদ্দেশ্যের মধ্যে অন্যতম।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পদক্ষেপ শিক্ষাখাতের সুশাসন ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার দিকে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং শিক্ষাব্যবস্থা আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন