অনেকের মুখে বা দেহে বার বার ব্রণ ফিরে আসে, যা কেবল কিশোর বয়সের সমস্যা নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমোনের ওঠানামা, ভুল স্কিনকেয়ার ও জীবনযাত্রা, অসম্পূর্ণ চিকিৎসা এবং পরিবেশগত কারণে ব্রণ আবার ফিরে আসে।
ত্বক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হরমোনাল পরিবর্তন মুখের নিচের অংশ, চিবুক ও জ‑লাইনে ব্রণ তৈরি করে। মহিলাদের ক্ষেত্রে পিরিয়ডের আগে বা হরমোনের অসামঞ্জস্য থাকলে ব্রণ বারবার ফিরে আসতে পারে। চিকিৎসকরা উল্লেখ করেছেন, হরমোনাল সমস্যা যেমন PCOS থাকলেও ব্রণ পুনরায় ফিরে আসতে পারে।
চিকিৎসা অসম্পূর্ণ থাকাও বড় সমস্যা। টপিক্যাল ক্রিম বা অ্যান্টিবায়োটিক সময়মতো শেষ না করলে ব্রণ কমলেও আবার ফিরে আসে। বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত ও পুরো চিকিৎসা কোর্স সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছেন।
এছাড়া, ভুল স্কিনকেয়ার এবং জীবনযাত্রাও ব্রণকে প্রভাবিত করে। ভারী মেকআপ, কমেডোজেনিক ক্রিম, অপরিষ্কার বালিশ কভার এবং নিয়মিত ক্লিনজিং না করা ত্বকের পোর বন্ধ করে। অতিরিক্ত স্ট্রেস, কম ঘুম ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসও সমস্যা বাড়ায়।
পরিবেশ ও আবহাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্ষা, গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া ত্বকের তৈল উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ধুলো-ময়লা, ঘাম এবং আর্দ্র পরিবেশ ব্রণের পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি বাড়ায়। শীতে ঠান্ডা ও শুষ্ক ত্বকও সমস্যার কারণ হয়ে থাকে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ব্রণ কমলেও রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যেতে হবে। হরমোনাল অ্যাকনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শে হরমোন‑ব্যালেন্সিং চিকিৎসা নিতে হবে। পাশাপাশি ভারী বা ভুল পণ্য ব্যবহার এড়ানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা বজায় রাখা জরুরি।
বার বার ব্রণ হওয়ার মূল কারণগুলো হলো হরমোনের ওঠানামা, অসম্পূর্ণ চিকিৎসা, ভুল স্কিনকেয়ার ও জীবনযাত্রা, পরিবেশগত প্রভাব এবং ত্বকে জমে থাকা মৃত কোষ। সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণই এই সমস্যার সমাধান।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অনেকের মুখে বা দেহে বার বার ব্রণ ফিরে আসে, যা কেবল কিশোর বয়সের সমস্যা নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমোনের ওঠানামা, ভুল স্কিনকেয়ার ও জীবনযাত্রা, অসম্পূর্ণ চিকিৎসা এবং পরিবেশগত কারণে ব্রণ আবার ফিরে আসে।
ত্বক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হরমোনাল পরিবর্তন মুখের নিচের অংশ, চিবুক ও জ‑লাইনে ব্রণ তৈরি করে। মহিলাদের ক্ষেত্রে পিরিয়ডের আগে বা হরমোনের অসামঞ্জস্য থাকলে ব্রণ বারবার ফিরে আসতে পারে। চিকিৎসকরা উল্লেখ করেছেন, হরমোনাল সমস্যা যেমন PCOS থাকলেও ব্রণ পুনরায় ফিরে আসতে পারে।
চিকিৎসা অসম্পূর্ণ থাকাও বড় সমস্যা। টপিক্যাল ক্রিম বা অ্যান্টিবায়োটিক সময়মতো শেষ না করলে ব্রণ কমলেও আবার ফিরে আসে। বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত ও পুরো চিকিৎসা কোর্স সম্পন্ন করার পরামর্শ দিয়েছেন।
এছাড়া, ভুল স্কিনকেয়ার এবং জীবনযাত্রাও ব্রণকে প্রভাবিত করে। ভারী মেকআপ, কমেডোজেনিক ক্রিম, অপরিষ্কার বালিশ কভার এবং নিয়মিত ক্লিনজিং না করা ত্বকের পোর বন্ধ করে। অতিরিক্ত স্ট্রেস, কম ঘুম ও অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসও সমস্যা বাড়ায়।
পরিবেশ ও আবহাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্ষা, গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া ত্বকের তৈল উৎপাদন বাড়িয়ে দেয়। ধুলো-ময়লা, ঘাম এবং আর্দ্র পরিবেশ ব্রণের পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি বাড়ায়। শীতে ঠান্ডা ও শুষ্ক ত্বকও সমস্যার কারণ হয়ে থাকে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ব্রণ কমলেও রক্ষণাবেক্ষণ চালিয়ে যেতে হবে। হরমোনাল অ্যাকনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শে হরমোন‑ব্যালেন্সিং চিকিৎসা নিতে হবে। পাশাপাশি ভারী বা ভুল পণ্য ব্যবহার এড়ানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা বজায় রাখা জরুরি।
বার বার ব্রণ হওয়ার মূল কারণগুলো হলো হরমোনের ওঠানামা, অসম্পূর্ণ চিকিৎসা, ভুল স্কিনকেয়ার ও জীবনযাত্রা, পরিবেশগত প্রভাব এবং ত্বকে জমে থাকা মৃত কোষ। সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণই এই সমস্যার সমাধান।

আপনার মতামত লিখুন