ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

রমজান মাসে রোজা রাখার সময় সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেহরি ও ইফতার সুষমভাবে গ্রহণ করলে শরীর শক্তিশালী থাকে, ক্লান্তি কমে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী, সেহরিতে জটিল শর্করা, প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত। ওটস, ভাত, পূর্ণ শস্যের রুটি, ডিম, ডাল, মাছ, মুরগি ও পনিরের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার এবং কলা, আপেল, খেজুরের মতো ফল সেহরির জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এই ধরনের খাবার ধীরে ধীরে শক্তি ছাড়ে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। এছাড়া সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।

ইফতারের সময় রোজা ভাঙার জন্য হালকা ও সুষম খাবার গ্রহণ করা উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথমে পানি, খেজুর বা হালকা শরবত দিয়ে রোজা ভাঙুন। এরপর হালকা স্যুপ, সালাদ এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। ভারী, তেলযুক্ত বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়ানো দরকার। এছাড়া ভারী খাবারের আগে কিছুটা বিরতি নিলে হজম ভালো হয় এবং শরীর ভারমুক্ত থাকে।

রমজানে পানিশূন্যতা ও ক্লান্তি কমানোর জন্য দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত দিনে অন্তত ৫–৬ গ্লাস পানি পান করা উচিত। ককনাট ওয়াটার, বাটারমিল্ক বা হালকা জুস হাইড্রেশনের জন্য সহায়ক। তবে অতিরিক্ত চা বা কফি ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।

সাধারণভাবে সুস্থ থাকার জন্য খাবার নির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধীরে শক্তি ছাড়ার শর্করা যেমন ওটস ও ব্রাউন রাইস, প্রোটিন যেমন ডিম, মাছ, মুরগি, ডাল ও পনির, শাকসবজি, ফল, বাদাম-বীজ এবং পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে। আবার অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও প্রক্রিয়াজাত খাবার, বেশি চিনি, লবণ ও কফিন সমৃদ্ধ পানীয় এড়ানো উচিত।

ডায়াবেটিস বা হৃদরোগ থাকলে রোজার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি এবং ভারী বা অতিরিক্ত চিনি-তেলযুক্ত খাবার এড়ানো রোজার সময় শরীরকে সুস্থ, শক্তিশালী এবং রোগমুক্ত রাখে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

রমজান মাসে রোজা রাখার সময় সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেহরি ও ইফতার সুষমভাবে গ্রহণ করলে শরীর শক্তিশালী থাকে, ক্লান্তি কমে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী, সেহরিতে জটিল শর্করা, প্রোটিন এবং ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত। ওটস, ভাত, পূর্ণ শস্যের রুটি, ডিম, ডাল, মাছ, মুরগি ও পনিরের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার এবং কলা, আপেল, খেজুরের মতো ফল সেহরির জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। এই ধরনের খাবার ধীরে ধীরে শক্তি ছাড়ে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। এছাড়া সেহরিতে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি।

ইফতারের সময় রোজা ভাঙার জন্য হালকা ও সুষম খাবার গ্রহণ করা উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথমে পানি, খেজুর বা হালকা শরবত দিয়ে রোজা ভাঙুন। এরপর হালকা স্যুপ, সালাদ এবং প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত। ভারী, তেলযুক্ত বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়ানো দরকার। এছাড়া ভারী খাবারের আগে কিছুটা বিরতি নিলে হজম ভালো হয় এবং শরীর ভারমুক্ত থাকে।

রমজানে পানিশূন্যতা ও ক্লান্তি কমানোর জন্য দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত দিনে অন্তত ৫–৬ গ্লাস পানি পান করা উচিত। ককনাট ওয়াটার, বাটারমিল্ক বা হালকা জুস হাইড্রেশনের জন্য সহায়ক। তবে অতিরিক্ত চা বা কফি ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।

সাধারণভাবে সুস্থ থাকার জন্য খাবার নির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ধীরে শক্তি ছাড়ার শর্করা যেমন ওটস ও ব্রাউন রাইস, প্রোটিন যেমন ডিম, মাছ, মুরগি, ডাল ও পনির, শাকসবজি, ফল, বাদাম-বীজ এবং পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে। আবার অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও প্রক্রিয়াজাত খাবার, বেশি চিনি, লবণ ও কফিন সমৃদ্ধ পানীয় এড়ানো উচিত।

ডায়াবেটিস বা হৃদরোগ থাকলে রোজার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি এবং ভারী বা অতিরিক্ত চিনি-তেলযুক্ত খাবার এড়ানো রোজার সময় শরীরকে সুস্থ, শক্তিশালী এবং রোগমুক্ত রাখে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ