দীর্ঘদিন ধরে মেগাসিটি ঢাকা বায়ুদূষণের কবলে রয়েছে। রোববার সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের প্রকাশিত সূচকে ১৯৭ স্কোর নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা। বায়ুমানের এই স্তরকে 'অস্বাস্থ্যকর' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
আইকিউএয়ারের সূচক অনুযায়ী, ৩৯২ স্কোর নিয়ে শীর্ষ দূষিত শহরের স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। ২১৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ভারতের কলকাতা, ২১০ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে দেশটির রাজধানী দিল্লি এবং ১৮৬ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টি না হওয়ার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে বায়ুদূষণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বৃষ্টিপাত হলে বাতাসে ভাসমান ধুলিকণা ও দূষণকারী উপাদান ধুয়ে যায়, কিন্তু দীর্ঘ শুষ্ক আবহাওয়া সেই সুযোগ দিচ্ছে না।
একিউআই বা বায়ুমান সূচকের মানদণ্ড অনুযায়ী, শূন্য থেকে ৫০ স্কোরকে 'ভালো', ৫১ থেকে ১০০ স্কোরকে 'মাঝারি' এবং ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে 'সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর' বলে বিবেচনা করা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর হলে বায়ুকে সাধারণভাবে 'অস্বাস্থ্যকর' ধরা হয়।
২০১ থেকে ৩০০ স্কোরের মধ্যে থাকলে বায়ুকে 'খুব অস্বাস্থ্যকর' বলা হয় এবং এ অবস্থায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্যদেরও বাইরের কার্যক্রম সীমিত রাখতে বলা হয়। ৩০১ থেকে ৪০০ স্কোর হলে বায়ুকে 'ঝুঁকিপূর্ণ' বলে বিবেচনা করা হয়, যা নগরবাসীর জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলো, ইটভাটার ধোঁয়া এবং শিল্পবর্জ্য। এই অবস্থায় বিশেষত শিশু ও বৃদ্ধদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়া এবং মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘদিন ধরে মেগাসিটি ঢাকা বায়ুদূষণের কবলে রয়েছে। রোববার সকালে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের প্রকাশিত সূচকে ১৯৭ স্কোর নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ স্থানে উঠে এসেছে রাজধানী ঢাকা। বায়ুমানের এই স্তরকে 'অস্বাস্থ্যকর' হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
আইকিউএয়ারের সূচক অনুযায়ী, ৩৯২ স্কোর নিয়ে শীর্ষ দূষিত শহরের স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। ২১৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে ভারতের কলকাতা, ২১০ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে দেশটির রাজধানী দিল্লি এবং ১৮৬ স্কোর নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টি না হওয়ার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে বায়ুদূষণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বৃষ্টিপাত হলে বাতাসে ভাসমান ধুলিকণা ও দূষণকারী উপাদান ধুয়ে যায়, কিন্তু দীর্ঘ শুষ্ক আবহাওয়া সেই সুযোগ দিচ্ছে না।
একিউআই বা বায়ুমান সূচকের মানদণ্ড অনুযায়ী, শূন্য থেকে ৫০ স্কোরকে 'ভালো', ৫১ থেকে ১০০ স্কোরকে 'মাঝারি' এবং ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরকে 'সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর' বলে বিবেচনা করা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর হলে বায়ুকে সাধারণভাবে 'অস্বাস্থ্যকর' ধরা হয়।
২০১ থেকে ৩০০ স্কোরের মধ্যে থাকলে বায়ুকে 'খুব অস্বাস্থ্যকর' বলা হয় এবং এ অবস্থায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ঘরের ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্যদেরও বাইরের কার্যক্রম সীমিত রাখতে বলা হয়। ৩০১ থেকে ৪০০ স্কোর হলে বায়ুকে 'ঝুঁকিপূর্ণ' বলে বিবেচনা করা হয়, যা নগরবাসীর জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকার বায়ুদূষণের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলো, ইটভাটার ধোঁয়া এবং শিল্পবর্জ্য। এই অবস্থায় বিশেষত শিশু ও বৃদ্ধদের প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়া এবং মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন