ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ স্থায়ীভাবে বন্ধের নিশ্চয়তা না দিলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও তাঁর পুত্র মোজতাবা খামেনিসহ ধর্মীয় নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিকল্পও মার্কিন পরিকল্পনায় রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগন সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একাধিক কৌশলগত প্রস্তাব তুলে ধরেছে, যার একটিতে ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এক উপদেষ্টা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি এবং সব বিকল্পই খোলা রাখা হয়েছে।
কূটনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, ইরান যদি স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ বন্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, তাহলে সীমিত মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, জেনেভা বৈঠকে উভয় পক্ষ কিছু মৌলিক নীতিতে একমত হয়েছে এবং তেহরান শিগগিরই একটি লিখিত প্রস্তাব পেশ করবে। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম কীভাবে অব্যাহত রাখা যায় তার কাঠামো নিয়েই আলোচনা চলছে এবং বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সমঝোতার পথে এখনো উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়ে গেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের প্রস্তাব হতে হবে সুস্পষ্ট ও বিশদ, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তাদের কর্মসূচি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি নয়।
এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ ঘটিয়েছে ওয়াশিংটন। উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ ও ইসরায়েল মনে করছে, কূটনৈতিক সমঝোতার চেয়ে সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনাই এখন বেশি। যদিও বাহিনী প্রস্তুত থাকলেও এখনো সামরিক পদক্ষেপের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেননি ট্রাম্প।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ স্থায়ীভাবে বন্ধের নিশ্চয়তা না দিলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও তাঁর পুত্র মোজতাবা খামেনিসহ ধর্মীয় নেতৃত্বকে ক্ষমতাচ্যুত করার বিকল্পও মার্কিন পরিকল্পনায় রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, পেন্টাগন সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একাধিক কৌশলগত প্রস্তাব তুলে ধরেছে, যার একটিতে ইরানের ধর্মীয় শাসনব্যবস্থা ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এক উপদেষ্টা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি এবং সব বিকল্পই খোলা রাখা হয়েছে।
কূটনৈতিক আলোচনার ক্ষেত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, ইরান যদি স্থায়ীভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ বন্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, তাহলে সীমিত মাত্রায় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অনুমতি দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, জেনেভা বৈঠকে উভয় পক্ষ কিছু মৌলিক নীতিতে একমত হয়েছে এবং তেহরান শিগগিরই একটি লিখিত প্রস্তাব পেশ করবে। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম কীভাবে অব্যাহত রাখা যায় তার কাঠামো নিয়েই আলোচনা চলছে এবং বিনিময়ে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সমঝোতার পথে এখনো উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়ে গেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের প্রস্তাব হতে হবে সুস্পষ্ট ও বিশদ, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তাদের কর্মসূচি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য কোনো হুমকি নয়।
এ পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যে ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ ঘটিয়েছে ওয়াশিংটন। উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ ও ইসরায়েল মনে করছে, কূটনৈতিক সমঝোতার চেয়ে সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনাই এখন বেশি। যদিও বাহিনী প্রস্তুত থাকলেও এখনো সামরিক পদক্ষেপের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেননি ট্রাম্প।

আপনার মতামত লিখুন