মুফতি আমির হামজা, কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামী বক্তা, বলেছেন যে সংসদে তাদের একটি শক্ত অবস্থান রয়েছে। তিনি জানান, চরমোনাই থেকে একজন এবং শেরপুর থেকে একজনসহ মোট ৭৯ জন সদস্য একসঙ্গে কাজ করছেন। তাদের লক্ষ্য হলো ২১২ জন সংসদ সদস্যকে সঠিক পথে রাখতে ভূমিকা রাখা। কেউ দায়িত্বে অবহেলা করলে সংসদের ভেতরে বা বাইরে—যেখানেই হোক—তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কুষ্টিয়া শহরের ত্রিমোহনী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে খুতবার আগে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির হামজা বলেন, তার কাছে দল বা মতের বিভাজন মুখ্য নয়; অন্যায় যে-ই করুক, তা বরদাশত করা হবে না। চাঁদাবাজি নিজের দলের কেউ করলেও সেটি অন্যায় হবে—এমন মন্তব্য করে তিনি ন্যায়বিচারে আপসহীন থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, প্রায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ভোটে নির্বাচিত হলেও আসনের প্রায় সাড়ে ৪ লাখ ভোটারের সবার প্রতিনিধিত্ব করতে চান এবং আগামী পাঁচ বছর সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, সংসদীয় কার্যপ্রণালী, সংবিধান ও মন্ত্রণালয়ের কাজ সম্পর্কে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ধারণা নিচ্ছেন। সরকারি ও বিরোধী দলের এমপিদের জন্য বরাদ্দ সমান হলেও ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে জনগণের জন্য অতিরিক্ত কিছু করার চেষ্টা করবেন।
তাফসির মাহফিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব বেশি হওয়ায় আগের মতো নিয়মিত মাহফিল করা কঠিন হবে। সংসদের সময় ও অর্থের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, এক মিনিট সংসদ চলতে প্রায় ১৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়—যা জনগণের অর্থ। তাই সময়ের যথাযথ ব্যবহার জরুরি।
কুষ্টিয়া জেলার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় যেসব বিষয় আসবে, সেগুলো নোট করে জনগণের পরামর্শ নিয়ে কাজ করতে চান। একই আসনের অন্য সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের অনিয়ম নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, সেখানে নানা অসংগতি রয়েছে, যা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, যে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত থাকলেও ছাড় দেওয়া হবে না।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মুফতি আমির হামজা, কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও আলোচিত ইসলামী বক্তা, বলেছেন যে সংসদে তাদের একটি শক্ত অবস্থান রয়েছে। তিনি জানান, চরমোনাই থেকে একজন এবং শেরপুর থেকে একজনসহ মোট ৭৯ জন সদস্য একসঙ্গে কাজ করছেন। তাদের লক্ষ্য হলো ২১২ জন সংসদ সদস্যকে সঠিক পথে রাখতে ভূমিকা রাখা। কেউ দায়িত্বে অবহেলা করলে সংসদের ভেতরে বা বাইরে—যেখানেই হোক—তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) কুষ্টিয়া শহরের ত্রিমোহনী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে খুতবার আগে তিনি এসব কথা বলেন।
আমির হামজা বলেন, তার কাছে দল বা মতের বিভাজন মুখ্য নয়; অন্যায় যে-ই করুক, তা বরদাশত করা হবে না। চাঁদাবাজি নিজের দলের কেউ করলেও সেটি অন্যায় হবে—এমন মন্তব্য করে তিনি ন্যায়বিচারে আপসহীন থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, প্রায় ১ লাখ ৮৩ হাজার ভোটে নির্বাচিত হলেও আসনের প্রায় সাড়ে ৪ লাখ ভোটারের সবার প্রতিনিধিত্ব করতে চান এবং আগামী পাঁচ বছর সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, সংসদীয় কার্যপ্রণালী, সংবিধান ও মন্ত্রণালয়ের কাজ সম্পর্কে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ধারণা নিচ্ছেন। সরকারি ও বিরোধী দলের এমপিদের জন্য বরাদ্দ সমান হলেও ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে জনগণের জন্য অতিরিক্ত কিছু করার চেষ্টা করবেন।
তাফসির মাহফিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব বেশি হওয়ায় আগের মতো নিয়মিত মাহফিল করা কঠিন হবে। সংসদের সময় ও অর্থের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি জানান, এক মিনিট সংসদ চলতে প্রায় ১৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়—যা জনগণের অর্থ। তাই সময়ের যথাযথ ব্যবহার জরুরি।
কুষ্টিয়া জেলার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় যেসব বিষয় আসবে, সেগুলো নোট করে জনগণের পরামর্শ নিয়ে কাজ করতে চান। একই আসনের অন্য সংসদ সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় করে জেলার উন্নয়ন পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের অনিয়ম নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, সেখানে নানা অসংগতি রয়েছে, যা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি জানান, যে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি জড়িত থাকলেও ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন