রমজান মাসে সেহরি এবং ইফতারের সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে অনেকের ঘুমের স্বাভাবিক রুটিন বিঘ্নিত হয়। ভোরে সেহরির জন্য ঘুম ভাঙা, রাতের ইফতার ও তারাবি এবং দিনের বিভিন্ন কাজ সব মিলিয়ে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। এর ফলে ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং মানসিক চাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ঘুম ঠিক রাখার জন্য বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি পরামর্শ দিচ্ছেন। প্রথমত, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ওঠার চেষ্টা করুন। যদিও রোজার কারণে সময় পরিবর্তিত হতে পারে, নিয়মিত সময়ে ঘুমোলে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিক থাকে। দ্বিতীয়ত, ঘুমানোর পরিবেশ শান্ত, ঠাণ্ডা এবং অন্ধকার রাখুন। এতে ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন ভালো তৈরি হয়। তৃতীয়ত, ঘুমের আগে হালকা স্ট্রেচিং, গভীর শ্বাস নেওয়া বা আরামদায়ক সঙ্গীত শোনা শরীরকে শিথিল করে এবং ঘুম দ্রুত আনে।
খাবার ও পানীয় নিয়ন্ত্রণও গুরুত্বপূর্ণ। ইফতার ও সেহরিতে ভারী, তেলতেলে বা অতিরিক্ত চিনি থাকা খাবার ঘুমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। রাতে চা বা কফি সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত। দিনের মধ্যে ২০–৩০ মিনিটের ছোট ন্যাপ নেওয়া রাতের গভীর ঘুমে সহায়তা করে এবং ক্লান্তি কমায়। এছাড়া, সেহরি ও ইফতারে প্রোটিন, কমপ্লেক্স কার্বস এবং পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ সারাদিনের শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
রোজার সময় ঘুমের একটি সম্ভাব্য রুটিন হলো: ইশা ও তারাবির পর হালকা খাবার খেয়ে শোয়া, সেহরির আগে ঘুমানো, ফজরের পর ২০–৩০ মিনিটের ন্যাপ এবং দিনের কাজের মাঝে সংক্ষিপ্ত বিরতি বা ন্যাপ নেওয়া। বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, সারাদিন মোট ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নেওয়া এবং হাইড্রেশন বজায় রাখা শরীর ও মন সুস্থ রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক রুটিন, খাদ্য এবং ঘুমের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলে রোজার সময় ঘুমের সমস্যা অনেকাংশে কমানো সম্ভব এবং দৈনিক শক্তি ও মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রমজান মাসে সেহরি এবং ইফতারের সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে অনেকের ঘুমের স্বাভাবিক রুটিন বিঘ্নিত হয়। ভোরে সেহরির জন্য ঘুম ভাঙা, রাতের ইফতার ও তারাবি এবং দিনের বিভিন্ন কাজ সব মিলিয়ে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না। এর ফলে ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া এবং মানসিক চাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ঘুম ঠিক রাখার জন্য বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি পরামর্শ দিচ্ছেন। প্রথমত, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ওঠার চেষ্টা করুন। যদিও রোজার কারণে সময় পরিবর্তিত হতে পারে, নিয়মিত সময়ে ঘুমোলে শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়ি ঠিক থাকে। দ্বিতীয়ত, ঘুমানোর পরিবেশ শান্ত, ঠাণ্ডা এবং অন্ধকার রাখুন। এতে ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন ভালো তৈরি হয়। তৃতীয়ত, ঘুমের আগে হালকা স্ট্রেচিং, গভীর শ্বাস নেওয়া বা আরামদায়ক সঙ্গীত শোনা শরীরকে শিথিল করে এবং ঘুম দ্রুত আনে।
খাবার ও পানীয় নিয়ন্ত্রণও গুরুত্বপূর্ণ। ইফতার ও সেহরিতে ভারী, তেলতেলে বা অতিরিক্ত চিনি থাকা খাবার ঘুমে বিঘ্ন ঘটাতে পারে। রাতে চা বা কফি সীমিত পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত। দিনের মধ্যে ২০–৩০ মিনিটের ছোট ন্যাপ নেওয়া রাতের গভীর ঘুমে সহায়তা করে এবং ক্লান্তি কমায়। এছাড়া, সেহরি ও ইফতারে প্রোটিন, কমপ্লেক্স কার্বস এবং পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ সারাদিনের শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
রোজার সময় ঘুমের একটি সম্ভাব্য রুটিন হলো: ইশা ও তারাবির পর হালকা খাবার খেয়ে শোয়া, সেহরির আগে ঘুমানো, ফজরের পর ২০–৩০ মিনিটের ন্যাপ এবং দিনের কাজের মাঝে সংক্ষিপ্ত বিরতি বা ন্যাপ নেওয়া। বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, সারাদিন মোট ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নেওয়া এবং হাইড্রেশন বজায় রাখা শরীর ও মন সুস্থ রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক রুটিন, খাদ্য এবং ঘুমের পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলে রোজার সময় ঘুমের সমস্যা অনেকাংশে কমানো সম্ভব এবং দৈনিক শক্তি ও মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।

আপনার মতামত লিখুন