যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় একটি নতুন জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই প্রতিশ্রুতি দেন। দীর্ঘদিনের যুদ্ধে গাজার মৌলিক অবকাঠামো যেখানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, সেখানে এই আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
ফিফা সভাপতির মতে, গাজার পুনর্গঠনে কেবল বাড়িঘর বা হাসপাতাল যথেষ্ট নয়; মানুষের আশা ও আবেগ ফিরিয়ে আনতে ফুটবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই প্রকল্পের আওতায় ২০ থেকে ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার একটি স্টেডিয়ামের পাশাপাশি ১৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে একটি ফিফা একাডেমি এবং আড়াই মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ৫০টি ছোট ফুটবল মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়া গাজায় একটি পূর্ণাঙ্গ ফুটবল কাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উৎসাহিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, ফিলিস্তিন জাতীয় ফুটবল দল ১৯৯৮ সালে ফিফার স্বীকৃতি পেলেও তারা মূলত গাজা ও পশ্চিম তীরের খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত। বোর্ড অব পিসের এই বৈঠকে কাতারসহ ৯টি দেশ গাজা পুনর্গঠনে মোট ৭ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠতা এবং গাজার পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ফিফার এই সরাসরি অংশগ্রহণকে অনেকেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ক্রীড়া কূটনীতির একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় একটি নতুন জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণের জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রথম বৈঠকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই প্রতিশ্রুতি দেন। দীর্ঘদিনের যুদ্ধে গাজার মৌলিক অবকাঠামো যেখানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, সেখানে এই আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
ফিফা সভাপতির মতে, গাজার পুনর্গঠনে কেবল বাড়িঘর বা হাসপাতাল যথেষ্ট নয়; মানুষের আশা ও আবেগ ফিরিয়ে আনতে ফুটবল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই প্রকল্পের আওতায় ২০ থেকে ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার একটি স্টেডিয়ামের পাশাপাশি ১৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে একটি ফিফা একাডেমি এবং আড়াই মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ৫০টি ছোট ফুটবল মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। এছাড়া গাজায় একটি পূর্ণাঙ্গ ফুটবল কাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে উৎসাহিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, ফিলিস্তিন জাতীয় ফুটবল দল ১৯৯৮ সালে ফিফার স্বীকৃতি পেলেও তারা মূলত গাজা ও পশ্চিম তীরের খেলোয়াড়দের নিয়ে গঠিত। বোর্ড অব পিসের এই বৈঠকে কাতারসহ ৯টি দেশ গাজা পুনর্গঠনে মোট ৭ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠতা এবং গাজার পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় ফিফার এই সরাসরি অংশগ্রহণকে অনেকেই আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও ক্রীড়া কূটনীতির একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন