যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের কাছে সরকারি গোপন নথিপত্র পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স অ্যান্ড্রু পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পেয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদের পর থ্যামস ভ্যালি পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। ৬৬ বছর বয়সী এই প্রিন্সকে তার জন্মদিনের দিনই সরকারি দায়িত্ব পালনে ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগে পুলিশের জেরার মুখোমুখি হতে হয়।
ব্রিটিশ রাজপরিবারের উত্তরাধিকার তালিকার অষ্টম স্থানে থাকা অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক ব্রিটেনের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে (২০০১-২০১১) তিনি স্পর্শকাতর নথিপত্র এপস্টেইনের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি প্রকাশিত এপস্টেইন সংক্রান্ত ৩০ লাখ পৃষ্ঠার নথিতে এই তথ্য ফাঁসের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পূর্ব ইংল্যান্ডের আইলশাম পুলিশ স্টেশন থেকে বিমর্ষ অবস্থায় তাকে বের হতে দেখা যায়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তাধীন অবস্থায় তাকে মুক্তি দেওয়া হলেও তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর তদন্ত চলমান থাকবে।
এই নজিরবিহীন ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস। এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন যে, ভাইয়ের গ্রেপ্তারের বিষয়টি তাকে আগে জানানো না হলেও তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ রাজপরিবারের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা পাবে। তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন যে, ‘আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে’। ইতিমধ্যে রাজা চার্লস তার ভাইয়ের উইন্ডসরের বাসভবন সুবিধাও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের দ্বিতীয় সন্তান অ্যান্ড্রু শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তবে জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে তিনি এর আগেই রাজকীয় সব দায়িত্ব ও সামরিক উপাধি হারিয়েছেন। বর্তমান এই আইনি জটিলতা প্রিন্স অ্যান্ড্রুর ভবিষ্যৎ ও ব্রিটিশ রাজপরিবারের মর্যাদাকে এক বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের কাছে সরকারি গোপন নথিপত্র পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্স অ্যান্ড্রু পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পেয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদের পর থ্যামস ভ্যালি পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। ৬৬ বছর বয়সী এই প্রিন্সকে তার জন্মদিনের দিনই সরকারি দায়িত্ব পালনে ক্ষমতার অপব্যবহারের মতো গুরুতর অভিযোগে পুলিশের জেরার মুখোমুখি হতে হয়।
ব্রিটিশ রাজপরিবারের উত্তরাধিকার তালিকার অষ্টম স্থানে থাকা অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে অভিযোগ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক ব্রিটেনের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে (২০০১-২০১১) তিনি স্পর্শকাতর নথিপত্র এপস্টেইনের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি প্রকাশিত এপস্টেইন সংক্রান্ত ৩০ লাখ পৃষ্ঠার নথিতে এই তথ্য ফাঁসের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে পূর্ব ইংল্যান্ডের আইলশাম পুলিশ স্টেশন থেকে বিমর্ষ অবস্থায় তাকে বের হতে দেখা যায়। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তদন্তাধীন অবস্থায় তাকে মুক্তি দেওয়া হলেও তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর তদন্ত চলমান থাকবে।
এই নজিরবিহীন ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস। এক বিবৃতিতে তিনি জানিয়েছেন যে, ভাইয়ের গ্রেপ্তারের বিষয়টি তাকে আগে জানানো না হলেও তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ রাজপরিবারের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা পাবে। তিনি আরও স্পষ্ট করেছেন যে, ‘আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে’। ইতিমধ্যে রাজা চার্লস তার ভাইয়ের উইন্ডসরের বাসভবন সুবিধাও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের দ্বিতীয় সন্তান অ্যান্ড্রু শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তবে জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে তিনি এর আগেই রাজকীয় সব দায়িত্ব ও সামরিক উপাধি হারিয়েছেন। বর্তমান এই আইনি জটিলতা প্রিন্স অ্যান্ড্রুর ভবিষ্যৎ ও ব্রিটিশ রাজপরিবারের মর্যাদাকে এক বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন