ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

রোজায় অ্যাসিডিটির ভয়? যা খেতে পারেন


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রোজায় অ্যাসিডিটির ভয়? যা খেতে পারেন

রোজা চলাকালে দীর্ঘসময় খালি পেটে থাকার কারণে পাকস্থলীতে অ্যাসিড সঞ্চয়ের সমস্যা অনেকের জন্যই বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য সংবাদ এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত থেকে জানা গেছে, সেহরি ও ইফতারে ভুল খাবার নির্বাচন করলে এই অ্যাসিডিটি বা বুক জ্বালা‑এর সমস্যা আরও তীব্র হতে পারে, যা রোজার অভিজ্ঞতাকে অস্বস্তিকর করে তোলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজার সময় দীর্ঘ বিরতির পর ভারী, ভাজা বা মসলাদার খাবার খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপন্ন হয় এবং তা বুক জ্বালা, ঢেকুর, গ্যাস বা অম্লতা হিসেবে প্রকাশ পায়। এছাড়া কোল্ড কিংবা কোল্ড‑কার্বোনেটেড পানীয়, অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় দ্রব্য যেমন চা ও কফি পান করলে এই সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

রমজানে সেহরি ও ইফতারের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, সেহরিতে জটিল শর্করা ও ফাইবার‑সমৃদ্ধ খাবার যেমন ওটস, ঘাসের দানা, কলা ও দই খেলে দীর্ঘক্ষণ পূর্ণ থাকার পাশাপাশি হজম সহজ হয়। প্রথমে ইফতারে পানির সাথে ১–২টি খেজুর দিয়ে খাওয়া শুরু করলে পাকস্থলী ধীরে‑ধীরে হজম প্রক্রিয়া শুরু করে, ফলে হঠাৎ অ্যাসিড বৃদ্ধি কম হয়।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাজা ও অতিরিক্ত মসলাদার খাবার, প্রসেসড খাবার ও অতিরিক্ত চিনি‑সমৃদ্ধ পানীয় রোজায় এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো শুধু অ্যাসিডিটি নয়, বরং ডিহাইড্রেশন, গ্যাস্ট্রিক সমস্যা ও ক্লান্তিও বাড়াতে পারে। আরও বলা হয়, ইফতারের পর হালকা হাঁটা বা কিছু সময় ক্লান্ত না হয়ে সক্রিয় থাকা হজম প্রক্রিয়ায় সহায়ক।

রোজা পালনে সচেতন খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত পানি পান করলে অ্যাসিডিটি ও অন্যান্য হজম‑সম্পর্কিত সমস্যার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, যদি কেউ আগেই গ্যাস্ট্রিক বা রিফ্লাক্স ডিজিজ‑এর মতো দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। 

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


রোজায় অ্যাসিডিটির ভয়? যা খেতে পারেন

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

রোজা চলাকালে দীর্ঘসময় খালি পেটে থাকার কারণে পাকস্থলীতে অ্যাসিড সঞ্চয়ের সমস্যা অনেকের জন্যই বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য সংবাদ এবং বিশেষজ্ঞদের মতামত থেকে জানা গেছে, সেহরি ও ইফতারে ভুল খাবার নির্বাচন করলে এই অ্যাসিডিটি বা বুক জ্বালা‑এর সমস্যা আরও তীব্র হতে পারে, যা রোজার অভিজ্ঞতাকে অস্বস্তিকর করে তোলে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজার সময় দীর্ঘ বিরতির পর ভারী, ভাজা বা মসলাদার খাবার খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অতিরিক্ত অ্যাসিড উৎপন্ন হয় এবং তা বুক জ্বালা, ঢেকুর, গ্যাস বা অম্লতা হিসেবে প্রকাশ পায়। এছাড়া কোল্ড কিংবা কোল্ড‑কার্বোনেটেড পানীয়, অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় দ্রব্য যেমন চা ও কফি পান করলে এই সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

রমজানে সেহরি ও ইফতারের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে ডাক্তাররা পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বলছেন, সেহরিতে জটিল শর্করা ও ফাইবার‑সমৃদ্ধ খাবার যেমন ওটস, ঘাসের দানা, কলা ও দই খেলে দীর্ঘক্ষণ পূর্ণ থাকার পাশাপাশি হজম সহজ হয়। প্রথমে ইফতারে পানির সাথে ১–২টি খেজুর দিয়ে খাওয়া শুরু করলে পাকস্থলী ধীরে‑ধীরে হজম প্রক্রিয়া শুরু করে, ফলে হঠাৎ অ্যাসিড বৃদ্ধি কম হয়।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাজা ও অতিরিক্ত মসলাদার খাবার, প্রসেসড খাবার ও অতিরিক্ত চিনি‑সমৃদ্ধ পানীয় রোজায় এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো শুধু অ্যাসিডিটি নয়, বরং ডিহাইড্রেশন, গ্যাস্ট্রিক সমস্যা ও ক্লান্তিও বাড়াতে পারে। আরও বলা হয়, ইফতারের পর হালকা হাঁটা বা কিছু সময় ক্লান্ত না হয়ে সক্রিয় থাকা হজম প্রক্রিয়ায় সহায়ক।

রোজা পালনে সচেতন খাদ্যাভ্যাস ও পর্যাপ্ত পানি পান করলে অ্যাসিডিটি ও অন্যান্য হজম‑সম্পর্কিত সমস্যার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, যদি কেউ আগেই গ্যাস্ট্রিক বা রিফ্লাক্স ডিজিজ‑এর মতো দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। 


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ