ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

ইফতারে খেজুর খান এভাবে, মিলবে বাড়তি পুষ্টি


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ইফতারে খেজুর খান এভাবে, মিলবে বাড়তি পুষ্টি

রমজানের সাথে খেজুরের সম্পর্ক অত্যন্ত পুরনো ও প্রথাগত। সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার পর খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙা মুসলমানদের মধ্যে একটি সাধারণ রীতি এবং পছন্দের উপায়। বিশেষ করে কম সময়ে বেশি পুষ্টি পেতে খেজুর ইফতারের সময় একটি কার্যকর খাবার বলে বিবেচিত হয়। তবে শুধু খেজুর খাওয়া নয়, এতে কিছু উপাদান যোগ করেও এর পুষ্টিগুণ আরও বাড়ানো যায়।

খেজুর লজেন্স তৈরি করা যেতে পারে খুব সহজভাবে। খেজুরগুলোকে লম্বালম্বিভাবে চিরে বীজ বের করে নিন এবং সেখানে চকলেটের আবরণ করা বাদাম, চিজ বা পেস্তা ভরে দিন। খেজুর ও বাদামের এই সংমিশ্রণ শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিতেও সমৃদ্ধ।

আরেকটি উপায় হলো খেজুর স্মুদি তৈরি করা। ইফতারের টেবিলে স্মুদি সাজানোর সময় এতে কৃত্রিম চিনি না দিয়ে কয়েকটি খেজুর যোগ করলে তা প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও পুষ্টি যোগাবে এবং স্বাদেও ভালো হবে। খেজুরে পর্যাপ্ত ক্যালরি ও খনিজ উপাদান আছে, যা শরীরে শক্তি প্রদান করে।

ছোটদের জন্য বা শক্তি জোগানোর জন্য খেজুর বল তৈরি করাও একটি আকর্ষণীয় উপায়। খেজুরের বীজ বের করে তা ব্লেন্ড করে নিন এবং সেখানে আখরোট, পেস্তা, কাঠবাদাম, তিসির বীজ ইত্যাদি মিশিয়ে খানিকটা ঘি ও লবণ দিন। তৈরি ঘাটিতে হালকা তেলে সব বাদাম ও বীজ একটু ভাজা হলে খেজুরের সাথে মিশিয়ে ছোট ছোট বল আকারে তৈরি করুন। এই খেজুর বলগুলো দেখতে সুন্দর এবং শিশুদেরও পছন্দ হবে। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতে সহায়ক।

উপরোক্ত বিভিন্নভাবে খেজুর উপস্থাপন করলে কেবল ঐতিহ্য বজায় থাকে না, বরং ইফতারের টেবিলেও পুষ্টি ও স্বাদ দুইই বৃদ্ধি পায়। এর ফলে রোজাদাররা ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি দ্রুত পেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ইফতারে খেজুর খান এভাবে, মিলবে বাড়তি পুষ্টি

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

রমজানের সাথে খেজুরের সম্পর্ক অত্যন্ত পুরনো ও প্রথাগত। সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকার পর খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙা মুসলমানদের মধ্যে একটি সাধারণ রীতি এবং পছন্দের উপায়। বিশেষ করে কম সময়ে বেশি পুষ্টি পেতে খেজুর ইফতারের সময় একটি কার্যকর খাবার বলে বিবেচিত হয়। তবে শুধু খেজুর খাওয়া নয়, এতে কিছু উপাদান যোগ করেও এর পুষ্টিগুণ আরও বাড়ানো যায়।

খেজুর লজেন্স তৈরি করা যেতে পারে খুব সহজভাবে। খেজুরগুলোকে লম্বালম্বিভাবে চিরে বীজ বের করে নিন এবং সেখানে চকলেটের আবরণ করা বাদাম, চিজ বা পেস্তা ভরে দিন। খেজুর ও বাদামের এই সংমিশ্রণ শুধু স্বাদেই নয়, পুষ্টিতেও সমৃদ্ধ।

আরেকটি উপায় হলো খেজুর স্মুদি তৈরি করা। ইফতারের টেবিলে স্মুদি সাজানোর সময় এতে কৃত্রিম চিনি না দিয়ে কয়েকটি খেজুর যোগ করলে তা প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও পুষ্টি যোগাবে এবং স্বাদেও ভালো হবে। খেজুরে পর্যাপ্ত ক্যালরি ও খনিজ উপাদান আছে, যা শরীরে শক্তি প্রদান করে।

ছোটদের জন্য বা শক্তি জোগানোর জন্য খেজুর বল তৈরি করাও একটি আকর্ষণীয় উপায়। খেজুরের বীজ বের করে তা ব্লেন্ড করে নিন এবং সেখানে আখরোট, পেস্তা, কাঠবাদাম, তিসির বীজ ইত্যাদি মিশিয়ে খানিকটা ঘি ও লবণ দিন। তৈরি ঘাটিতে হালকা তেলে সব বাদাম ও বীজ একটু ভাজা হলে খেজুরের সাথে মিশিয়ে ছোট ছোট বল আকারে তৈরি করুন। এই খেজুর বলগুলো দেখতে সুন্দর এবং শিশুদেরও পছন্দ হবে। এগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং শরীরে দ্রুত শক্তি জোগাতে সহায়ক।

উপরোক্ত বিভিন্নভাবে খেজুর উপস্থাপন করলে কেবল ঐতিহ্য বজায় থাকে না, বরং ইফতারের টেবিলেও পুষ্টি ও স্বাদ দুইই বৃদ্ধি পায়। এর ফলে রোজাদাররা ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তি ও পুষ্টি দ্রুত পেতে পারে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ